কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক কেলেঙ্কারির ঘটনায় আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার রাতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে থানার এসআই ইমাম উদ্দিন এবং এএসআই হাফিজুর রহমানকে প্রত্যাহার এবং সিসি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তারা কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে মঙ্গলবার একই ঘটনায় থানার ওসি এমএ বারীকে প্রত্যাহার করা হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত শামসুল আলম জানান, ২৭ জুন রাতে দাউদকান্দি টোল প্লাজার আগে ফায়ার সার্ভিসের সামনে কাভার্ডভ্যান থেকে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সেদিন নাইট ডিউটিতে ছিলেন এসআই ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমান। পরে মাদক ব্যবসায়ীর কাছে মাদকগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা গাঁজাগুলো বিক্রি করে দেওয়ার পর ৩০ হাজার টাকা নিয়ে কাভার্ডভ্যানটিকে ছেড়েও দেওয়া হয়। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা।
এদিকে মাদক কেলেঙ্কারির ঘটনায় প্রত্যাহার হওয়ার পর এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সদ্য বিদায়ি ওসি আবদুল বারী। বুধবার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে তিনি পরোক্ষভাবে তাকে ‘ষড়যন্ত্রের শিকার’ দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভাইরাল পোস্টে ওসি উল্লেখ করেন-‘মাদক নিয়ে নিউজ হয়েছে এসআই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে, আর ক্লোজ হয় ওসি। আমি পুলিশ পলিটিক্স এর শিকার! আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
কুমিল্লা পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, ‘বিভাগীয় শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কারণেই ওসি আবদুল বারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হবে।’








