জনপ্রিয় সিনেমা ‘লিগ্যালি ব্লন্ড’-এর প্রিক্যুয়েল সিরিজ ‘এলি’ মুক্তির অপেক্ষায়। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসতে যাওয়া এ সিরিজে দর্শকরা দেখতে পাবেন তরুণী এলি উডসের গল্প। হাইস্কুল জীবন, বন্ধুত্ব, প্রেমভঙ্গ এবং নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কীভাবে তিনি আত্মবিশ্বাসী ও প্রাণবন্ত একজন নারী হয়ে উঠেছিলেন, সেই যাত্রাই তুলে ধরা হবে এখানে।
সিরিজটিতে এলি উডস চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবীন অভিনেত্রী লেক্সি মিনেট্রি। চরিত্রটির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে গিয়ে তিনি যে পরিমাণ পরিশ্রম করেছেন, তা শুনলে অবাক হতে হয়। লেক্সি জানিয়েছেন, কাস্টিং চলাকালে তিনি ‘লিগ্যালি ব্লন্ড’ সিনেমাটি ১৫০ বারেরও বেশি দেখেছেন। এমনকি চরিত্রটি পাওয়ার পরও বারবার সিনেমাটি দেখেছেন, যাতে এলি উডসের ব্যক্তিত্ব, কণ্ঠস্বর, চলাফেরা এবং অভিব্যক্তি নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করতে পারেন।
লেক্সির ভাষায়, তিনি শুধু চরিত্রটির আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা বা আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ধরতে চাননি; বরং এলির কণ্ঠস্বর, অঙ্গভঙ্গি ও শারীরিক অভিব্যক্তিকেও যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। এ জন্য প্রতিদিন ভোরে শুটিংয়ের আগে কণ্ঠ ও শরীরচর্চার বিশেষ অনুশীলন করতেন তিনি। একজন ভয়েস কোচের সহায়তায় এলি উডসের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বরও রপ্ত করেন।
চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মূল ‘লিগ্যালি ব্লন্ড’ তারকা রিজ উইদারস্পুন। লেক্সি জানান, রিজ তাকে এমন একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা চরিত্রটির মর্ম বুঝতে সাহায্য করেছে। রিজ স্মরণ করিয়ে দেন, এলি কখনো কাউকে অপমান বা ছোট করে না, এমনকি যারা তার প্রতি খারাপ আচরণ করে তাদের প্রতিও নয়। সবসময় তিনি ইতিবাচক ও মর্যাদাপূর্ণ পথই বেছে নেন। এই মানবিক গুণটিকেই এলি উডস চরিত্রের মূল শক্তি বলে মনে করেন লেক্সি।
‘এলি’ নির্মাণ করেছেন লরা কিটরেল। এতে আরও অভিনয় করেছেন জুন ডায়ান রাফায়েল, টম এভারেট স্কটসহ আরও অনেকে। আগামী ১ জুলাই সিরিজটি মুক্তি পাবে প্রাইম ভিডিওতে।
প্রিয় চরিত্রকে নতুনভাবে পর্দায় ফিরিয়ে আনতে লেক্সি মিনেট্রির এ পরিশ্রম দর্শকদের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার অপেক্ষা, নতুন প্রজন্মের এলি উডস হয়ে তিনি কতটা সফলভাবে দর্শকের হৃদয় জয় করতে পারেন।








