২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের ১০ নম্বর জার্সিটি হয়তো দানি ওলমোর গায়ে থাকত না। তার বদলে সেখানে দেখা যেতে পারত লিওনেল মেসিকে; যিনি রোববারের ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হিসেবেই মাঠে নামছেন। এখানে যে ঘটনাটি তুলে ধরা হচ্ছে, তা হলো ২২ বছর আগে আর্জেন্টিনা কিভাবে এই তারকা খেলোয়াড়কে ইউরোপীয় দেশটির হয়ে খেলা থেকে আটকে দিয়েছিল।
সবকিছুর শুরু হয়েছিল একটি ক্যাসেট টেপ এবং তড়িঘড়ি করে আয়োজন করা কিছু প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে। সময়টা ছিল ২০০৪ সালের জুন মাস। ফিনল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগের মুহূর্ত। তখনো আর্জেন্টিনা জানত না লিওনেল মেসি কে?
অন্যদিকে, স্পেনের নজর ছিল রোজারিও থেকে উঠে আসা এই তরুণ প্রতিভার ওপর এবং তারা তাকে নিজেদের যুব দলে ভেড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল। তবে একটি ‘ক্যাসেট টেপ’ পরিস্থিতি বদলে দিতে শুরু করে। খাটো গড়নের এক দক্ষ আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়ের ফুটেজ বা দৃশ্য পৌঁছে যায় ক্লাউদিও ভিভাসের হাতে। ভিভাস ছিলেন আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় এবং তৎকালীন প্রধান কোচ মার্সেলো বিয়েলসার সহকারী।
তিনি (ভিভাস) জানান, ‘রোজারিও-ভিত্তিক আর্জেন্টাইন ব্যবসায়ী হোরাসিও গাজিওলি, যিনি বার্সেলোনার ঘনিষ্ঠ মহলে কাজ করতেন, তিনিই আমার সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন। আমি প্রথমে তার সাথে কথা বলতে দ্বিধা বোধ করেছিলাম, কিন্তু তিনি জানান যে বিয়েলসার কাছে তাকে কিছু নথিপত্র বা তথ্য পৌঁছে দিতে হবে। তিনি কোনো এক আর্জেন্টাইনের কাছে আমাকে এটি পৌঁছে দিতে বলেছিলেন, কিন্তু তিনি তখন নির্দিষ্ট কোনো নাম উল্লেখ করেননি। ভাগ্যিস তিনি শেষ পর্যন্ত আমাকেই সেটি দিয়েছিলেন।’
ভিভাসকে টেপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘না আমি টেপটি রেখে দিইনি। সেই ভিএইচএস টেপটি শেষ পর্যন্ত ইজেইজার বিমান বাহিনী একাডেমিতে চলে গিয়েছিল। আমার তখন ওটার একটা কপি করে রাখার মতো বুদ্ধি ছিল না। দুর্ভাগ্যবশত, আমার কাছে এর কোনো কপি নেই।’
ভিভাস যখন বিয়েলসাকে সেই ফুটেজটি দেখালেন, তখন যা দেখছিলেন তা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না বিয়েলসা।
এই বিষয়ে ভিভাস বলেন, ‘জাপানের বিপক্ষে একটি ম্যাচের পর আমি ফিরে এসে বিয়েলসাকে সেটি দেখালাম। তিনি আমাকে ভিডিওটি স্বাভাবিক গতিতে চালাতে বললেন (হাসি)। আমি বললাম, ওটা স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। সে (মেসি) ড্রিবল করল, শট নিল এবং গোল করল। আর্জেন্টিনার যুব দলের কোচ হুগো তোকাল্লিও সেই দৃশ্যগুলো দেখেছিলেন। তবে যুব বিশ্বকাপে খেলার জন্য মেসিকে দলে ডাকার মতো সময় তখন আর তার হাতে ছিল না। মাত্র দুই মিটারের মধ্যে তার শূন্য থেকে সর্বোচ্চ গতিতে (০ থেকে ১০০) উঠে আসার বিষয়টি আমাকে অবাক করেছিল। তার গোল করার ভঙ্গি বা 'ফিনিশিং'-এর ধরনও আমাকে চমকে দিয়েছিল।’
তবে তোকাল্লি জানতেন মেসিকে আর্জেন্টিনার সাথে বেঁধে ফেলার জন্য তাকে দলে ডাকাটা কতটা জরুরি ছিল। সেই সময়ে ফিফার খেলোয়াড় নির্বাচনের নিয়মটা ছিল ভিন্ন। একবার আর্জেন্টিনার হয়ে খেললে, এমনকি যুব পর্যায়েও মেসি আর স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ পেতেন না।
রেডিও স্টেশন ‘লা রেড’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক কোচ ভিভাস বলেছিলেন, ‘একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে মেসিকে দলে ডাকার সেই তাগিদের কথা একবার ভাবুন। আর ভাবুন তো, মেসি যদি স্পেনের হয়ে খেলতেন, তবে লোকে আমাকে মেরেই ফেলত! আমাকে তখন অন্য কোথাও গিয়ে থাকতে হতো।’
মেসিকে দলে ডাকাটা সহজ ছিল না। ‘মেসি, দ্য (ইন)কমপ্লিট জিনিয়াস- বইটিতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কর্মী ওমর সাউতো স্মৃতিচারণ করেছেন যে, তখন এএফএ (আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন)-এর কাছে ওই খেলোয়াড় বা তার পরিবারের কোনো যোগাযোগের তথ্যই ছিল না।’
‘আমি এএফএ-র এসেইজা ট্রেনিং সেন্টার থেকে বেরিয়ে একটি ফোন বুথে গেলাম। আমি রোজারিও শহরের একটি ফোন ডিরেক্টরি বা ফোন বুক চাইলাম। কারণ তার সম্পর্কে আমাদের কাছে এটুকুই তথ্য ছিল। আমি মেসি পরিবারের ফোন নম্বরসহ পাতাটি ছিঁড়ে নিলাম, ট্রেনিং সেন্টারে প্রবেশের যৌক্তিকতা দেখানোর জন্য বাড়িতে একটি সাধারণ ফোন কল করলাম এবং তাকে খুঁজে বের করতে আবার সেখানে ফিরে গেলাম।’
‘তার আত্মীয়দের মধ্যে সবার আগে আমি তার দাদিকে খুঁজে পেলাম। লিওনেলের দাদি আমাকে তার চাচার সাথে যোগাযোগের তথ্য দিলেন। তার চাচা আমাকে তার বাবার সাথে যোগাযোগের তথ্য দিলেন। আমি তার বাবাকে ফোন করে নিজের পরিচয় দিলাম এবং বললাম যে আমরা তার ছেলের সাথে কাজ করতে চাই। এ সময় আমি একটি ভুল তথ্যের কথাও উল্লেখ করলাম। আমি সবসময় শুনেছিলাম যে 'লিও' হলো তার পারিবারিক নাম বা আসল নাম লিওনার্দো।’
স্পেনের আগ্রহের বিষয়টি বুঝতে পেরে, এএফএ সেই সময়ে তড়িঘড়ি করে দুটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে এবং মেসির যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের দায়িত্ব নেয় যা সেই সময়ে সংস্থাটির জন্য ছিল এক অস্বাভাবিক পদক্ষেপ। প্রথম ম্যাচটি ছিল প্যারাগুয়ের বিপক্ষে, এক শীতের রাতে 'আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্স' স্টেডিয়ামে; যেখানে দিয়েগো ম্যারাডোনার 'জন্ম' হয়েছিল। ম্যাচের টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ একটি হাসপাতালে দান করার কথা ছিল। ম্যাচ পরিচালনার জন্য রেফারিকে ডাকা হয়েছিল ঠিক আগের দিন।
'এল গ্রাফিকো'-র কাছে আক্ষেপ করে রেফারি গ্যাব্রিয়েল ব্রাজেনাস বলেছিলেন, ‘তারা আমাকে আগের দিন ফোন করেছিল। তারা বুঝিয়ে বলেছিল কেন ম্যাচটি খেলা হবে। ভাগ্যিস, আমার কাছে ফিফার সেই বিখ্যাত ম্যাচ রিপোর্টগুলো বাড়িতেই ছিল। যদি কোনো একটি বিষয় নিয়ে আমার আক্ষেপ থাকে, তবে তা হলো সেগুলোর ছবি না তোলা।’
ম্যাচটিতে ৫০০ দর্শকের উপস্থিতির আশা করা হয়েছিল। সবার জানা মতে, মূল আকর্ষণ ছিলেন মেসি। যেমনটা 'টিওয়াইসি স্পোর্টস' চ্যানেলের সম্প্রচারে সাংবাদিক হেক্টর গ্যালো ঘোষণা করেছিলেন। সম্প্রচারের শুরুতে সাংবাদিক বলেছিলেন, ‘বেঞ্চে এমন একজন খেলোয়াড় আছেন যিনি দ্বিতীয়ার্ধে খেলবেন। তিনি হলেন লিওনেল মেসি। রোজারিও থেকে উঠে আসা এই খেলোয়াড়টি ১২ বছর বয়সে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন। তিনি কাতালান দলটির সাথে মূল প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন এবং তাঁর চুক্তিতে ১৫ মিলিয়ন ইউরোর 'রিলিজ ক্লজ' রয়েছে।’
মেসি ১৭ নম্বর জার্সি পরেছিলেন এবং তার পাশে ছিলেন এমন কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড় যেমন: গ্যারে, জাবালেতা ও লাভেজ্জি; যারা ১০ বছর পর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এই তারকার সাথেই রানার্স-আপ হয়েছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে আবেলাইরাসের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে তিনি এক অনবদ্য গোল উপহার দেন। তিনি মাঠের বাম প্রান্ত দিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যান, প্যারাগুয়ের দুজন খেলোয়াড় ও গোলরক্ষককে ড্রিবল করে কাটিয়ে দলের হয়ে সপ্তম গোলটি করেন। ৮-০ ব্যবধানের সেই জয়কে তৎকালীন প্যারাগুয়েন সংবাদপত্র ‘এবিসি কালার’ ‘অপমানজনক পরাজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছিল।
দুটি প্রীতি ম্যাচের পর, ২০০৫ সালের শুরুর দিকে কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্যও লিওনেল মেসি ডাক পান। তিনি ৫টি গোল করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। একই বছর নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে মেসি শুরুর একাদশের বাইরে (বেঞ্চে) থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি মূল একাদশে জায়গা করে নেন এবং নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন। সেই ম্যাচে তিনি দলের করা দুটি গোলই নিজে করেছিলেন এবং আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল। ওই প্রতিযোগিতায় তাকে দলে পাওয়াটা ছিল স্পেনের এক বড় স্বপ্ন।
রেডিও স্টেশন 'লা রেড'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তোকাল্লি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আমরা স্পেনের বিপক্ষে খেলেছিলাম। আমরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু সেস্ক ফ্যাব্রিগাসের জোড়া গোলে তারা ম্যাচে ফিরে আসে। হোটেলে ফেরার পর রাতের খাবারের শেষে কোচিং স্টাফদের সাথে থাকার সময় এক ভদ্রলোক আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি ছিলেন স্প্যানিশ ফেডারেশনের সভাপতি ভিলার। তিনি আমাকে বলেছিলেন, 'আমরা তাঁকে (মেসিকে) সবকিছুর প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু সে জানিয়েছে যে সে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়েই খেলতে চায়। আমাদের ঠিক এমন একজন খেলোয়াড়ই প্রয়োজন ছিল।’
স্পেনের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বরং সেই অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপীয় দলটির বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে মেসি অন্যতম প্রধান ঘাতক হিসেবে আবির্ভূত হন এবং দলের ৩টি গোলের মধ্যে ১টি গোল নিজে করেন। এখন, ২২ বছর পর, মেসি আবারও স্পেনে ফিরে এসেছেন। যে দেশটি তার জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছিল এবং তার প্রতিভার মঞ্চ হয়ে উঠেছিল; সেই দেশই এখন আর্জেন্টিনা ও ফুটবলের ইতিহাসে নিজেকে আরও বেশি অমর করে তোলার পথে তার শেষ ধাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘খেলোয়াড়টি ১২ বছর বয়সে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন। তিনি কাতালান দলটির সাথে মূল প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন এবং তার চুক্তিতে ১৫ মিলিয়ন ইউরোর 'রিলিজ ক্লজ' রয়েছে।’
মেসি ১৭ নম্বর জার্সি পরেছিলেন এবং তার পাশে ছিলেন এমন কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড় যেমন: গ্যারে, জাবালেতা ও লাভেজ্জি; যারা ১০ বছর পর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এই তারকার সাথেই রানার্স-আপ হয়েছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে আবেলাইরাসের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে তিনি এক অনবদ্য গোল উপহার দেন। তিনি মাঠের বাম প্রান্ত দিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যান, প্যারাগুয়ের দু’জন খেলোয়াড় ও গোলরক্ষককে ড্রিবল করে কাটিয়ে দলের হয়ে সপ্তম গোলটি করেন। ৮-০ ব্যবধানের সেই জয়কে তৎকালীন প্যারাগুয়েন সংবাদপত্র ‘এবিসি কালার’ ‘অপমানজনক পরাজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছিল।
দুটি প্রীতি ম্যাচের পর, ২০০৫ সালের শুরুর দিকে কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্যও লিওনেল মেসি ডাক পান। তিনি ৫টি গোল করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। একই বছর নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে মেসি শুরুর একাদশের বাইরে (বেঞ্চে) থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি মূল একাদশে জায়গা করে নেন এবং নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন। সেই ম্যাচে তিনি দলের করা দুটি গোলই নিজে করেছিলেন এবং আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল। ওই প্রতিযোগিতায় তাঁকে দলে পাওয়াটা ছিল স্পেনের এক বড় স্বপ্ন।
রেডিও স্টেশন 'লা রেড'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তোকাল্লি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আমরা স্পেনের বিপক্ষে খেলেছিলাম। আমরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু সেস ফ্যাব্রিগাসের জোড়া গোলে তারা ম্যাচে ফিরে আসে। হোটেলে ফেরার পর রাতের খাবারের শেষে কোচিং স্টাফদের সাথে থাকার সময় এক ভদ্রলোক আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি ছিলেন স্প্যানিশ ফেডারেশনের সভাপতি ভিলার। তিনি আমাকে বলেছিলেন, আমরা তাকে (মেসিকে) সবকিছুর প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু সে জানিয়েছে যে সে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়েই খেলতে চায়। আমাদের ঠিক এমন একজন খেলোয়াড়ই প্রয়োজন ছিল।’
স্পেনের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বরং সেই অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপীয় দলটির বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে মেসি অন্যতম প্রধান ঘাতক হিসেবে আবির্ভূত হন এবং দলের ৩টি গোলের মধ্যে ১টি গোল নিজে করেন। এখন, ২২ বছর পর, মেসি আবারও স্পেনে ফিরে এসেছেন। যে দেশটি তাঁর জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছিল এবং তাঁর প্রতিভার মঞ্চ হয়ে উঠেছিল; সেই দেশই এখন আর্জেন্টিনা ও ফুটবলের ইতিহাসে নিজেকে আরও বেশি অমর করে তোলার পথে তার শেষ ধাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরআর/আইএইচএস/








