মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) সাত সদস্যকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে পুলিশের আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে এ আদেশ দেওয়া হয়।
রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এবি সিদ্দিক বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রিমান্ডে পাঠানো সাত আসামি হলেন— শাহ আমানত সাবির (২৩), মো. হোসাইন তানিম (২০), জুনায়েদ (২২), আতাউল্লাহ শাহ (৩২), মো. আবিদুর রহমান (২০), মো. বায়েজিদ (৩০) এবং তাহসিন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসায়াব (১৯)।
এদিন কারাগারে থাকা সাত আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিদের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন রিমান্ড আবেদন নাকচের দাবি জানান। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত সাত দিনের পরিবর্তে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন
এফসিএস সদস্য সন্দেহে গ্রেফতার তাহসীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
তার আগে গত ৫ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে এফসিএসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবিরসহ ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ৯ জুলাই যশোর থেকে সংগঠনটির আরেক সদস্য তাহসিন ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতারের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পরই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পৃথক মামলাটি দায়ের করা হয়।
এমডিএএ/এমআইএইচএস








