আবারও বিশ্বকাপ জেতার সফরে অনেকটাই এগিয়ে আছে ফ্রান্স। আর সেই জার্নিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফুটবলের অপ্রতিরোধ্য ফ্রেঞ্চ রাজকুমার কিলিয়ান এমবাপ্পে।
মেসির চেয়ে মাত্র এক গোল পিছিয়ে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই স্ট্যাটিস্টিক্স বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের। অথচ মেসির অর্ধেক সংখ্যক বিশ্বকাপ খেলেছেন ফুটবলের অপ্রতিরোধ্য ফ্রেঞ্চ রাজকুমার। এদিকে এবারের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও মেসির চেয়ে সামনে আছেন এমবাপ্পে।

বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জার্সি গায়ে চড়ালেই যেন তিনি হয়ে ওঠেন অতিমানব। মিস্টার ওয়ার্ল্ড কাপ বলা হচ্ছে তাঁকে। তবে মাঠের বাইরে তিনি এক হাসি-খুশি, সরল মনের মানুষ। দয়ালু আর শৌখিনও বটে। পরিবারের জন্য আছে তাঁর আলাদা আবেগ। চলুন কিলিয়ান এমবাপ্পের ৭টি মজার ও অজানা তথ্য
১. বিশ্বকাপের পুরো অর্থ দান করে দিয়েছিলেন এমবাপ্পে
২০১৮ সালে ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার পর এমবাপ্পে টুর্নামেন্ট থেকে পাওয়া প্রায় ৪ লাখ ইউরো পুরোটা শিশুদের সহায়তাকারী দাতব্য সংস্থা প্রিমিয়ার্স দ্য কোর্দে-কে দান করে দেন।


২. ১০টি বিলাসবহুল গাড়ির মালিক হয়েও মাত্র এ বছর পেলেন ড্রাইভিং লাইসেন্স
বিএমডব্লিউ, ফেরারিসহ অন্তত ১০টি এক্সক্লুসিভ দামি স্পোর্টস কারের মালিক হলেও এমবাপ্পে নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স এ বছরই হাতে পেলেন। এর আগে তিনি সাধারণত শফারের সাহায্যেই চলাফেরা করতেন।
৩. ফুটবলের পাশাপাশি বাঁশিও বাজাতে পারেন
ছোটবেলায় শুধু ফুটবল নয়, তিনি সংগীতেরও প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। নিজের প্রিয় বাদ্যযন্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন বাঁশি। মাত্র ৫ বছর বয়সেই তিনি ফরাসি কিংবদন্তি গায়ক শার্ল আজনাভুরের অনেক গানের লিরিক্স মুখস্থ বলতে পারতেন।

৪. প্রতিটি ম্যাচের আগে দাদিকে ফোন করেন

এমবাপ্পের একটি বিশেষ পারিবারিক রীতি আছে। প্রতিটি ম্যাচের আগে তিনি দাদি ক্রিস্টিনকে ফোন করেন। পরিবারের জন্য আছে তাঁর আলাদা আবেগ।
৫. বিখ্যাত গোল সেলিব্রেশনের আইডিয়া এসেছে ছোট ভাইয়ের কাছ থেকে
গোল করার পর দুই হাত বুকের ওপর ভাঁজ করে যে সিগনেচার সেলিব্রেশনটি করেন, সেটি কোনো প্রচারণা দলের তৈরি নয়। এটি তিনি কপি করেছিলেন তার ছোট ভাই ইথানের কাছ থেকে, যে ফিফা ভিডিও গেমে কিলিয়ানকে হারালে এভাবেই সেলিব্রেট করত।


৬. চাইলে অন্য দেশের হয়েও খেলতে পারতেন
মায়ের আলজেরিয়ান ও বাবার ক্যামেরুন় বংশোদ্ভূত হওয়ায় এমবাপ্পের সামনে আলজেরিয়া বা ক্যামেরুনের হয়ে খেলার সুযোগও ছিল। তবে তিনি শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের জার্সিই বেছে নেন।

৭. ছোটবেলায় ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বড় ভক্ত
শৈশবে এমবাপ্পে ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অন্ধ ভক্ত। শোবার ঘরের দেয়ালজুড়ে ছিল পর্তুগিজ সুপারস্টারের পোস্টার, যা তাকে প্রতিদিন আরও বড় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখাত।
সূত্র: ইয়াহু স্পোর্টস
ছবি: ইন্সটাগ্রাম








