ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা ওই নারীকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। আহত ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

আজ সোমবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলার হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত হানিফ শেখ (২২) ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদি ইউনিয়নের পুখুরিয়া গ্রামের রফিক শেখের ছেলে। অভিযুক্ত নারী সুমাইয়া আক্তার (২০) তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। তাঁরা ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আহত হানিফ শেখ পেশায় একজন কসমেটিক ব্যবসায়ী। তিনি প্রথম স্ত্রী রেখেই ওই নারীকে বিয়ে করে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাঁদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই পারিবারিক কলহ হতো। গতকাল রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। আজ ভোরে ব্লেড দিয়ে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।

হানিফের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জোবায়ের নাদিম জানান, ওই যুবককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর গোপনাঙ্গ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন বলা যায়, প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে আটক করেছি। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।