সামগ্রিকভাবে ইসলামী ব্যাংকগুলোতে ডিসেম্বরের তুলনায় মার্চে আমানত কমেছে, বেড়েছে বিনিয়োগ। একই সঙ্গে কমেছে অতিরিক্ত তারল্য। পাশাপাশি এসব ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহও কমেছে। দেশে শরিয়ার ভিত্তিতে পরিচালিত আর্থিক ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে প্রসারের সুযোগ থাকায় গ্রামীণ এলাকায় এর প্রসার ঘটানোর সুপারিশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের পাশাপাশি শরিয়া ভিত্তিতে ক্ষুদ্রঋণ ও বিমা ব্যবস্থারও সম্প্রসারণের কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শরিয়া ভিত্তিতে পরিচালিত আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি দেশের সাধারণ মানুষের আগ্রহ বেশি। ফলে এ খাতের আর্থিক ব্যবস্থাকে আইনি কাঠামোর আওতায় এনে গ্রামীণ এলাকায় প্রসারের সুযোগ দিলে গ্রামীণ জনগণ আর্থিক সেবার আওতায় আসবে। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে আমানতের প্রবাহ বাড়বে। কারণ, চাহিদা অনুযায়ী পল্লি এলাকায় ইসলামী ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত শাখা নেই। প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বরের তুলনায় মার্চে শরিয়া ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য কমেছে ১৮৮ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকগুলোর আমানত কমেছে, বেড়েছে বিনিয়োগ। যে কারণে তাদের অতিরিক্ত তারল্য কমেছে। তবে গত বছরের মার্চের তুলনায় অতিরিক্ত তারল্য বেড়ে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে আমানত কমেছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা। তবে বছর হিসাবে আমানত ও বিনিয়োগ দুটিই বেড়েছে।
বিশেষ করে শরিয়া ভিত্তিতে পরিচালিত কয়েকটি ব্যাংকে লুটপাটের কারণে তারল্য সংকট এখনো প্রকট। এ কারণে তারা বিনিয়োগ করতে পারছে কম। ফলে তাদের আমদানি-রপ্তানিতে অর্থায়নও কম। ফলে এসব ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কমেছে।








