কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিনহাজুল ইসলাম আইয়ুব গ্রেপ্তার এড়াতে বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়েও পালাতে পারেননি। এতে তিনি আহত হয়েছেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাবেক উপপ্রচার সম্পাদক।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন এ তথ্য জানান। এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সন্ন্যাসী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আশিক হত্যা মামলাসহ দুটি মামলায় আইয়ুবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত দেড়টার দিকে সদর থানা-পুলিশের দল সন্ন্যাসী গ্রামে তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে। পুলিশ বাড়িতে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি টের পেয়ে আইয়ুব ছাদ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
পুলিশের মতে, একপর্যায়ে বাড়ির পেছন দিকে নামার সময় টিনের বেড়ার ওপর পড়ে তিনি আহত হন। এতে তাঁর পায়ের আঙুল কেটে যায় এবং হাড় ভেঙে যায়। পরে পুলিশ তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
ওসি কামাল আহমদ বলেন, আইয়ুব জুলাইয়ের শহীদ আশিক হত্যাসহ দুটি মামলার পলাতক আসামি। তাঁকে গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে আইয়ুবকে কুড়িগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে।








