জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। এ সংকট সাময়িক, দু-তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মনির হোসেন চৌধুরী।
যুগ্ম সচিব বলেন, ‘খুবই রিসেন্টলি, গতকালকে আমাদের দুটো এফএসআরইউ-এর মধ্যে একটা এফএসআরইউ-তে একটু যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। আপনারা জানেন যে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তো আসলে কারও কিছু করণীয় থাকে না। আমাদের দুটো এফএসআরইউ থেকে আমরা এলএনজি মুডে প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বা এক হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমরা পেয়ে থাকি। তো একটাতে সংকট দেখা দিলে স্বাভাবিক কারণেই একটা ডিসরাপশন (সরবরাহে ঘাটতি) তৈরি হয়।’
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘সেই ডিসরাপশনের কারণেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে সিএনজি স্টেশনগুলোতে একটু লাইন আছে। বাট এটা খুবই সাময়িক, আমাদের মেরামতের কাজ চলছে, আশা করছি যে ইনশাল্লাহ আমরা দুই-তিন দিনের মধ্যেই এটার সমাধান হয়ে যাবে।’
যুগ্ম সচিব আরও বলেন, ‘গ্যাসের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ কিন্তু আমরা দেশীয় উৎস থেকে পাই। প্রাকৃতিক গ্যাসের দেশীয় চাহিদা হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। আমরা সরবরাহ করতে পারি সব মিলিয়ে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে কিছুটা ঘাটতি তো আমাদের আছেই, এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা আসলে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন যে এক্সপ্লোরেশন (তেল-গ্যাস অনুসন্ধান) নিয়ে অনেকদিন কাজ হয়নি, সেটা বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা খুবই অ্যাগ্রেসিভলি চেষ্টা করছি ড্রিলিংয়ের কাজগুলো এগিয়ে নিতে। অন্যান্য যেসব ইনফ্রাস্ট্রাকচার আছে, এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) থেকে শুরু করে অন্যান্য জিনিসগুলো, সেগুলোও সরকার খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বাস্তবায়ন করা যায়, সেই কাজগুলো করে যাচ্ছে।’
আরএমএম/এমএএইচ/








