বিগত চার মাস ধরে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে তাঁকে জাতীয় সংসদে আসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। তিনি বলেছেন, যারা ইনসাফের কথা বলে, তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে জাতির কাছে ছোট করার চেষ্টা করেছে। আমার বিরুদ্ধে কোনো ব্যাংকে মামলা ছিল না। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে আমাকে আদালতের দরজায় দরজায় ঘুরতে হয়েছে। মাত্র ছয় দিন প্রচারণার সুযোগ পেয়েও ফটিকছড়ির মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছে। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমার অর্ধেকের চেয়েও কম ভোট পেয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এসব কথা বলেন সরোয়ার আলমগীর। শপথ নেওয়ার পর আজ প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।
বিগত দিনগুলোতে সংসদে না আসতে পারার কারণে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ফটিকছড়ির সাধারণ মানুষ সংসদ সদস্যের মাধ্যমে যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল, তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে জানান এ সংসদ সদস্য।
সরোয়ার আলমগীর বলেন, ১৯৭১ সালে রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন ব্যর্থ হয়েছিল, তখন শহীদ জিয়াই কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। আর ফটিকছড়ি ছিল শহীদ জিয়ার অত্যন্ত প্রিয় নির্বাচনী এলাকা। সেই ফটিকছড়ির জনগণ বিপুল ভোটে বিজয়ী করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই আসনটি উপহার দিয়েছেন।
এমপি সরোয়ার বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে আইনি লড়াইয়ে জিতেই আমি এই পবিত্র সংসদে এসেছি, কারণ জনগণই ক্ষমতার উৎস। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ফটিকছড়ির মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চাচ্ছে।
ঋণ খেলাপির অভিযোগে আদালতের নির্দেশনায় সরোয়ার আলমগীরের আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়। বৃহস্পতিবার অভিযোগটি খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত। ওই দিন দিন সন্ধ্যায় শপথ নেন সরোয়ার আলমগীর।








