বিশ্বকাপে ২৮ বছর পর ফিরে স্কটল্যান্ড শেষ পর্যন্ত নকআউটে ওঠার স্বপ্ন পূরণ করতে পারল না। নিজেদের তিনটি ম্যাচ শেষ করার পরও শেষ আশা ছিল সেরা তৃতীয় স্থানধারীদের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া। কিন্তু প্রায় তিন দিনের সেই অপেক্ষার অবসান হলো হতাশা দিয়ে।
‘এল’ গ্রুপের শেষ দিনের ফলই নির্ধারণ করে দেয় স্কটল্যান্ডের ভাগ্য। ক্রোয়েশিয়া ২-১ গোলে ঘানাকে হারিয়ে গ্রুপের রানার্স-আপ হিসেবে সরাসরি শেষ ৩২ নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে ৪ পয়েন্ট থাকা ঘানাও সেরা তৃতীয় স্থানধারীদের একটি হিসেবে নকআউটে জায়গা পেয়ে যায়। ফলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান গ্রুপ পর্বেই শেষ হয়।
অন্য ম্যাচে কোনো ভুল করেনি ইংল্যান্ড। পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে টমাস টুখেলের দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে উঠেছে। ইংল্যান্ডের জয়ে প্রথম গোলটি আসে জুড বেলিংহামের পা থেকে। বিরতির আগে কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি ইংলিশরা। দ্বিতীয়ার্ধে ৬২ মিনিটে বেলিংহাম জট খুলে দেন। পাঁচ মিনিট পর হ্যারি কেইনের হেড ব্যবধান দ্বিগুণ করে ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত করে দেয়।
এই গোলের মাধ্যমে নতুন ইতিহাসও গড়েন কেইন। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের জার্সিতে এটি তার ১১তম গোল, যা দেশের হয়ে সর্বোচ্চ। তিনি পেছনে ফেলেছেন গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড।
ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত একই সময়ে ক্রোয়েশিয়া ও ঘানার লড়াই ছিল অনেক বেশি নাটকীয়। প্রথমার্ধে পেতার সুচিচ গোল করে ক্রোয়াটদের এগিয়ে দিলেও দ্বিতীয়ার্ধে ডেরিক লুকাসেন সমতা ফেরান। ম্যাচ যখন নতুন মোড় নেওয়ার অপেক্ষায়, তখন ৮৩ মিনিটে লুকা মদরিচের কর্নার থেকে নিকোলা ভ্লাসিচের হেডই ক্রোয়েশিয়াকে মূল্যবান জয় এনে দেয়। সেই তিন পয়েন্টেই তারা নিশ্চিত করে নকআউট পর্বের টিকিট।
স্কটল্যান্ডের জন্য হতাশা এখানেই শেষ হয়নি। দলটির বিদায় নিশ্চিত হওয়ার কিছুক্ষণ পর স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, প্রধান কোচ স্টিভ ক্লার্ক পদত্যাগ করেছেন। ফলে বিশ্বকাপ মিশনের ব্যর্থতার পর নতুন কোচের অধীনে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে স্কটিশ ফুটবল।








