পূর্বধলায় কালিহর নদী থেকে ইট বাঁধা অবস্থায় নবজাতকের লাশ উদ্ধারের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সাজন মিয়া নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের ফলে ১৩ বছরের এক শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয় এবং পরে সে মৃত কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।

পরে আলামত লুকাতে নবজাতকের লাশটি নদীতে ফেলে দেয় ওই যুবক। ২৯ জুন সকালে হোগলা ইউনিয়নের কালিহরকান্দা গ্রামের সামনে নদীতে ইট ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় একটি নবজাতক কন্যাশিশুর লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। তদন্তের পর মঙ্গলবার পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার শিশুটির মা তার কাজে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে থাকেন। এ সুযোগে সাত মাস আগে সাজন মিয়া ঘরে একা পেয়ে ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এরপর বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ফলে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরিবারের কেউ বিষয়টি প্রথমে টের পায়নি। ২৮ জুন রাতে পেটে ব্যথার পর ওই কিশোরী মৃত কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে সাজন মিয়া মেয়েটির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখায় এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৩০ জুন ভোরে নবজাতকের লাশটি তার একটি কালো শার্টে প্যাঁচিয়ে ও ইট বেঁধে কালিহর মাইজপাড়া এলাকায় নদীতে ফেলে দেয়।