ঢাকা শহরে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও সড়কের বেহাল অবস্থার প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবাতেও। রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অন্যান্য দিনের তুলনায় রোগীর সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে।
বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক ও অলিগলিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় শুধু রোগীরাই নন, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কর্মস্থলে পৌঁছাতে ভোগান্তিতে পড়েছেন। এদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সামনের সড়কেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুনসারা শহরে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং কর্মীদের হাসপাতালে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। তারপরও তারা কষ্ট স্বীকার করে রোগীদের সেবা দিতে হাসপাতালে এসেছেন।
সার্বক্ষণিক নির্ভরতার জায়গা হলো ঢাকা মেডিকেল: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ রোববার বিকেলে জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টির কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় জরুরি বিভাগে প্রায় ২০ শতাংশ রোগী কম এসেছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সামনের সড়ক
তিনি জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৪ ঘণ্টায় জরুরি বিভাগে দেড় হাজারের বেশি রোগী আসেন। তাদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হাসপাতালে ভর্তি হন। এসব রোগীর অধিকাংশই বিকেল থেকে রাতের মধ্যে আসেন। সকালে রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ সকাল ও দুপুরে রোগীর উপস্থিতি আরও কম ছিল।
আরও পড়ুন
৮০ বছর পরও মানুষের শেষ ভরসা ঢাকা মেডিকেল
ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘শুধু রোগী নয়, হাসপাতালের কর্মীদেরও দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মস্থলে আসতে অনেক কষ্ট ও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে।’
যানজট-জলজটে বেহাল দশা
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির কারণে সারা শহরে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং কর্মীদের হাসপাতালে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। তারপরও তারা কষ্ট স্বীকার করে রোগীদের সেবা দিতে হাসপাতালে এসেছেন।
এমইউ/এসএইচএস







