প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের কাজ শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ হস্তান্তর না করতে নির্দেশনাপত্র জারি করেছে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে বান্দরবান জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জসীম উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জসীম উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর বান্দরবানের অতি দুর্গম থানচির তিন্দু এলাকার তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের কাজ শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে স্কুলটির সম্পদ হস্তান্তর না করার নির্দেশ দিয়ে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।

আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিডি) মুহাম্মদ ফরিদুল আলম হোসাইনি ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জসীম উদ্দীনকে নিয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।যত দ্রুত সম্ভব স্কুলটি জাতীয়করণ ও কর্মরত সকল শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালান প্রধান শিক্ষক

বান্দরবানের অতি দুর্গম পাহাড়ঘেরা থানচির তিন্দু এলাকা। যেখানে অধিকাংশই নিম্ন আয়ের প্রান্তিক মানুষ। প্রতিকূল পরিবেশেও এই এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। স্কুলটি পরিচালনা ও অন্য সহকর্মীদের বেতন জোগাতে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালাতেন।

গত ১৩ মে ‘সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালান প্রধান শিক্ষক’ শিরোনামে জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে বিষয়টি।পরে ২৮ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্কুলটি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

নয়ন চক্রবর্তী/এফএ/এমএস