আদালতে মামলা চলাকালে বিবাদমান জমিতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ তুলেছেন যশোর জেলা ফুটবল দলের অধিনায়ক আতিক হাসান। তিনি জানান, ঝিকরগাছার নাভারণ ইউনিয়নের যাদবপুর-বাদে নাভারণ গ্রামের সামসুদ্দিন শাহের ছেলে শওকত আলী জোর করে প্রায় এক শতক জমি দখল করে সেখানে প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। তাকে নিষেধ করায় বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে আতিক হাসান ও তার পরিবারকে শাসানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলেছেন জেলা ফুটবল দলের এই অধিনায়ক। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শওকত আলী। তিনি বলেন, আমার নিজের জায়গায় প্রাচীর দিয়েছি, বিবদমান জমিতে নয়। জমি মাপজোকের জন্য বেশ কয়েকবার ইউএনও অফিসে গিয়েছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ কিংবা প্রশাসন কেউই জমি মাপেননি। তারা যদি জমি পায়, মেপে নিক, আমি পেলে দিয়ে দিক-এটাই চাইছি। লিখিত বক্তব্যে আতিক জানান, অভিযুক্ত বিগত আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কমিটির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শওকত আলী একজন মামলাবাজ, পরসম্পদলোভী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক, বাদে নাভারণ গ্রামের মোট ৫১ শতক জমির মধ্যে মাতুলসূত্রে প্রাপ্ত ২৬ শতক জমিতে বসতবাটি ও রাইস মিল করে বসবাস করে আসছেন। ওই জমির পাশে শওকত আলী জমি কেনার পর থেকে তার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। তিনি বলেন, আমরা সংঘাত চাই না, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি মাহবুবুল হাসান ইমন, সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় পিয়ারুজ্জামান পিনু, জেলা দলের সাবেক খেলোয়াড় মোহাম্মদ সায়মন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।