জুলাই মাস থেকে সারা দেশে বড় পরিসরে নতুন শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার সিলাটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। নগরীর জালালাবাদ গ্যাস ভবন অডিটোরিয়ামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন সিলেট শিক্ষা বোর্ড এবং সিলেট অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য। এসব খালি পদ পূরণে জুলাই থেকে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। একইসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষায় দীর্ঘদিনের জনবল সংকট ও পদোন্নতি জটিলতা নিরসনে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে।
শিক্ষমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সাল থেকে বিচারাধীন মামলার কারণে প্রায় ২৫ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষকের আটকে থাকা পদোন্নতি আদালতের রায়ের আলোকে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে বিচারাধীন ৩০ হাজারের বেশি মামলা পর্যায়ক্রমে নিষ্পত্তি এবং মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন-সংক্রান্ত জটিলতা দূর করে নিয়মিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী প্রমুখ।
আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে রেখেছে। তাছাড়া পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিসিটিভির মাধ্যমে কেন্দ্রগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
শিক্ষামন্ত্রীর হাত ধরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার।








