বিএনপির সংসদ-সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধার সম্মানি ভাতার সঙ্গে অন্য কারও সম্মানি ভাতার কোনো তুলনা হতে পারে না। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা ঠিক আছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা এক টাকা হলেও বাড়াতে হবে। জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বৃহস্পতিবার ফজলুর রহমান এ দাবি জানান। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে আমি শ্রদ্ধা করি। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা। ঠিক আছে। অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আহতদের ২০-১৫-১০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো কারণেই মুক্তিযোদ্ধার সম্মানি ভাতার সঙ্গে অন্য কারও সম্মানি ভাতার তুলনা হতে পারে না। যদি হয় তাহলে এটার জন্য পাঁচ বছর পরে খেসারত দিতে হবে। কারণ এখানে যারা বিএনপির এমপি হয়েছেন তাদের ৯৯ শতাংশকে শেষ পর্যন্ত বলতে হয়েছে, ‘আমরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের দল, আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।’ আর তারা বলছে, তারা জুলাইয়ের পক্ষে এবং সৎ নেতৃত্বের পক্ষে, সৎ রাজনীতির পক্ষে। কাজেই মুক্তিযোদ্ধা আর জুলাই যোদ্ধা, আমি জুলাই যোদ্ধাকে অসম্মান করছি না, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কাউকে তুলনা করলে কিন্তু ভবিষ্যতে আর উত্তরটা দিতে পারবেন না।’ ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ফজলুর রহমান হাওড়ের উন্নয়নে পৃথক মন্ত্রণালয়, মাজারের সুরক্ষা এবং সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতার দাবি জানান। তিনি বলেন, বিশাল বাজেট কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন করছেন। আপনারা নির্বাচনের সময়ও মনে করেছিলেন আমরা (বিএনপি) বোধহয় পারব না। তিনি বাজেটে শিক্ষার মতো সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান। তিনি বলেন, গ্রামগঞ্জে আমাদের ছোটবেলায় হিন্দুধর্মের দুর্গাপূজা যখন আসত, তখন গ্রামে গ্রামে নাটক করতাম, এটা তারা পছন্দ করে না। কৃষক যখন শীতকালে ধান লাগিয়ে পরে যাত্রা গান দেখতে যেত চাদর গায় দিয়ে, সেই রূপবানের গান বলেন, আর মা মাটি মানুষ বলেন, এটাকে উনারা পছন্দ করেন না।








