বিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত–উত্তর প্রশ্ন

অধ্যায় ১

প্রশ্ন: সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর: সিলোম—

১. বহুকোষী প্রাণীর পৌষ্টিক নালি ও দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানকে সিলোম বলে।

২. সিলোমে সিলোমিক রস থাকে।

হিমোসিল—

১. আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলে।

২. হিমোসিলে রক্ত থাকে।

প্রাথমিকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা কত টাকা, কত দিন পাবে

প্রশ্ন: চিংড়িকে মাছ বলা হয় না কেন?

উত্তর: চিংড়ি আর্থোপোডা পর্বভুক্ত প্রাণী। পক্ষান্তরে মাছ কর্ডাটা শ্রেণির অস্টিইকথিস শ্রেণিভুক্ত। মাছের দেহ আঁশ দ্বারা আবৃত থাকে, যা চিংড়িতে অনুপস্থিত। আবার মাছের মাথার দুই পাশে চার জোড়া ফুলকা থাকে, যা কানকো দিয়ে ঢাকা থাকে। চিংড়ির দেহে এ ধরনের কোনো ফুলকা নেই। অর্থাৎ মাছের বৈশিষ্ট্য থেকে ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্যের কারণেই চিংড়ি মাছ নয়।

প্রশ্ন: সমুদ্র শসাকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: যেসব প্রাণীকে দুই বা ততোধিক উপায়ে সমান দুই ভাগে ভাগ করা যায়, তাদের অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলা হয়। সমুদ্র শসার দেহকে সমান পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা যায়। তাই সমুদ্র শসাকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলা হয়।

প্রশ্ন: দ্বিপদ নামকরণ কী? কে এই দ্বিপদ নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন?

উত্তর: জীবের নামকরণের আন্তর্জাতিক প্রথা অনুসারে প্রথমে গণের নাম এবং পরে প্রজাতির নাম ব্যবহার করে দুই শব্দের সমন্বয়ে জীবের যে নামকরণ হয়, তাকে দ্বিপদ নামকরণ বলে।

১৭৫৮ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রাণীর দ্বিপদ নামকরণের পদ্ধতি চালু করেন।

অধ্যায় ২

প্রশ্ন: মিয়োসিসকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয় কেন?

উত্তর: মিয়োসিস কোষ বিভাজনের ক্ষেত্রে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি পরপর দুবার বিভাজিত হলেও ক্রোমোজোমের বিভাজন মাত্র একবার ঘটে। ফলে অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হ্রাস পেয়ে অর্ধেক হয়ে যায় বলে মিয়োসিসকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয়।

  • মো. ফারুক হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক
    বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা