কক্সবাজারের শহরের একটি বিলাসবহুল হোটেলের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি দামি ব্রান্ডের গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জব্দ করার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ শুক্রবার বিকেল ৪টায় শহরের হোটেল-মোটেলজোনের কলাতলীর ওশান প্যারাডাইসের হলরুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।

কক্সবাজারের শহরের একটি বিলাসবহুল হোটেলের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি দামি ব্রান্ডের গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জব্দ করার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ শুক্রবার বিকেল ৪টায় শহরের হোটেল-মোটেলজোনের কলাতলীর ওশান প্যারাডাইসের হলরুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।

রেজভী আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের একটি দল অভিযানটি চালায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হোটেল ওশান প্যারাডাইজের পার্কিং এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়।

অভিযানে ঢাকা মেট্রো নম্বরের একটি লাল রঙের টয়োটা গাড়ি, লাল রঙের হোন্ডা গাড়ি এবং টুইন গ্রে রঙের একটি মাজদা গাড়ি জব্দ করা হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা গাড়িগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় টয়োটা গাড়িটির বহনকারী হিসেবে মো. হাসিবুর রহমান সিনহা, হোন্ডা গাড়িটির বহনকারী মো. সাফিয়াত মাহমুদ এবং মাজদা গাড়িটির বহনকারী মো. সারাফাত রহমান ইশানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে গাড়ি তিনটির ক্রয় কিংবা আমদানির বিষয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা দলের কাছে কোনো প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিল উপস্থাপন করতে পারেননি তাঁরা। ফলে গাড়িগুলোর বৈধতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে পার্কিংয়ে থাকা অবস্থায় তিনটি গাড়িই জব্দ করা হয়।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক রৈজভী আহম্মেদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গাড়িগুলো শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা বা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।