কক্সবাজারের মাতামুহুরীর কোনাখালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ইউনিয়ন জামায়াতের এক নেতাসহ ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার বিকালে কোনাখালীর শহরিয়া স্টেশনে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- কোনাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি পল্লী চিকিৎসক আবদুল হামিদ, তার ছোট ভাই মোহাম্মদ সিফাত এবং চাচাতো ভাই শেখ সালাহউদ্দিন। ওই ঘটনায় আহত আবদুল হামিদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম ও তার ভাই নুরুল আলম নুরুসহ ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। জানা যায়, কোনাখালী এলাকায় বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন দুটি পুকুর রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে শামসুল আলম ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন পুকুর দুটি অবৈধভাবে ভোগদখল করছিলেন। সম্প্রতি সরকারি নিয়ম মেনে পুকুর দুটি ইজারা নেওয়ার জন্য আবেদন করেন জামায়াত নেতা আবদুল হামিদ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল আলম ও তার লোকজন।

শনিবার বিকালে শহরিয়া স্টেশনে ওঁত পেতে থাকা অস্ত্রধারী ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে আবদুল হামিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

এসআই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।