কাঁচাবাজার মানেই নোংরা কাদাপানি আর এখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। সারাদেশেই কাঁচাবাজারেরই এটা চিরাচরিত দৃশ্য। এ অবস্থার উন্নয়নে নানান উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এমনকি রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।
সড়ক-ফুটপাতে যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে বর্জ্য। বিশেষ করে বড় কাঁচাবাজারগুলোর সামনের রাস্তায় বর্জ্য স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। এসব বর্জ্যের দুর্গন্ধ ও নোংরা পানিতে সয়লাব হচ্ছে সড়ক। এতে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নগরবাসী। রাস্তা চলাচল করতে হচ্ছে নাক-মুখ চেপে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাঁচাবাজারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এখনো আগের মতোই প্রতিটি বাজারের সামনের সড়ক-ফুটপাতে বর্জ্য ছড়িয়ে থাকে। বৃষ্টি হলে এসব বর্জ্য গড়িয়ে ড্রেনে গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি গৃহস্থালির বর্জ্যও সড়কে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
রাজধানীর বর্জ্য পুড়িয়ে পাওয়া যাবে জ্বালানি
যদিও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাইকারি কাঁচাবাজারে দিনের ২৪ ঘণ্টাই বর্জ্য উৎপাদন হয়। এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করছেন না ব্যবসায়ী ও দোকানিরা। এতে বাজারের পরিবেশ নোংরা হচ্ছে। এই অব্যবস্থাপনা দূর করতে জনসচেতনতায় গুরুত্ব দিচ্ছে ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি। পাশাপাশি গৃহস্থালির বর্জ্য যথাযথভাবে সংগ্রহ ও অপসারণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
নগর বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবিদদের মতে, ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেশ ঘাটতি রয়েছে। সংস্থা দুটির মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ কম। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে দিনের পরিবর্তে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা, এসটিএসের সক্ষমতা বাড়ানো, বর্জ্য পরিবহনে লিক-প্রুফ যানবাহন ব্যবহার এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। অন্যথায় এই সংকট থেকে মুক্তি মিলবে না।

সড়কের পাশে বর্জ্য থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারীদের/ ছবি- জাগো নিউজ
জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির জাগো নিউজকে বলেন, নগরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলো নিয়ে দীর্ঘদিন আমরা বলে আসছি। কাঁচাবাজারসহ সব জায়গায় যেন শৃঙ্খলার সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হয়। কিন্তু ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কখনোই তা গুরুত্ব দেয়নি। ফলে ঢাকার পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। বাতাসে দুর্গন্ধে ছড়াচ্ছে। মানুষের মধ্যে রোগ-জীবাণু ছড়াচ্ছে। অথচ সিটি করপোরেশন চাইলে এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনা অসম্ভব নয়। এখন নতুন সরকারের কাছে আশাকরি, তারা পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়ে নগরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেবে।
আরও পড়ুন
দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়ছে বর্জ্য সংকট, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ— দুই সিটি করপোরেশন মিলিয়ে কাঁচাবাজার রয়েছে ২০০টির বেশি। এর মধ্যে ৮৭টি সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন বা নিবন্ধিত। বাকি কাঁচাবাজারগুলো অবৈধভাবে চলছে। এসব কাঁচাবাজার ও গৃহস্থালি থেকে দিনে প্রায় ৮ হাজার টন বর্জ্য উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ডিএনসিসিতে দিনে ৪ হাজার ২১৭ টন বর্জ্য উৎপাদন হয়। এছাড়া ডিএসসিসিতে দিনে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টন বর্জ্য উৎপাদ হয়। এসব বর্জ্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সংগ্রহ করে প্রথমে এসটিএসে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে বড় ট্রাকে মাতুয়াইল ও আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে নিয়ে যায় সংস্থা দুটি।
ডিএসসিসি এলাকার কোথায় কী দেখা গেলো
প্রায় ১০৯ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৭৫টি ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) গঠিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বর্জ্য উৎপাদন হয় যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারে। এ বাজারের বিভিন্ন স্থানে দিনের ২৪ ঘণ্টাই বর্জ্য স্তূপ করে রাখা হয়।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখ যায়, যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারের দক্ষিণ পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ঘেঁষে স্তূপ হয়ে পড়ে রয়েছে বর্জ্য। এ বর্জ্য থেকে বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাজারে আসা লোকজন নাক-মুখ চেপে চলাচল করছেন। একইভাবে ওই কাঁচাবাজারের উত্তর পাশে ডেমরা রোডের ওপরও বর্জ্য স্তূপ হয়ে আছে। যানবাহনের চাকায় লেগে সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে এসব বর্জ্য। বৃষ্টির পানির সঙ্গে গড়িয়ে যাচ্ছে ড্রেন ও নালায়।
বাজারে বেচাবিক্রি শেষে দোকানে কিছু সবজি বা ফল রয়ে যায়। এগুলোর অধিকাংশই পচা থাকে। ফলে ক্রেতারা কিনে নেয় না। অনেক সময় কাউকে ফ্রিতেও দেওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে বাজারের সামনে সড়কে ফেলে দেই।— ফল ব্যবসায়ী তোফায়েল আহমেদ
কথা হয় যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারের সবজি ও ফল ব্যবসায়ী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, বাজারে বেচাবিক্রি শেষে দোকানে কিছু সবজি বা ফল রয়ে যায়। এগুলোর অধিকাংশই পচা থাকে। ফলে ক্রেতারা কিনে নেয় না। অনেক সময় কাউকে ফ্রিতেও দেওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে বাজারের সামনে সড়কে ফেলে দেই। সিটি করপোরেশনের লোকজন তা পরিষ্কার করে দেয়।
যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারে পাইকারি মালামাল বেশি বিক্রি হয়। পাশাপাশি খুচরাও বেচা-বিক্রি হয়। ওই বাজার থেকে ১০ কেজি মাছ কিনে কাজলার বাসায় ফিরছিলেন মোবারক হোসেন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, কাঁচাবাজারের পরিবেশ দিন দিন নোংরা হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বাজারে বর্জ্যের পচা গন্ধে থাকা যায় না। শুধু লোকাল বা সুপার শপ থেকে কিছুটা কমে বাজার-সদাই করার জন্যই মানুষ ওই বাজারে যায়।
আরও পড়ুন
দিনের বেলায়ও বর্জ্য অপসারণ, ভোগান্তিতে নগরবাসী
পুরান ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত সড়ক কাজী আলাউদ্দিন রোড। এ রোডের নাজিরাবাজারের বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। এর মধ্যে বিউটি লাচ্ছির দোকানের বিপরীত পাশে দুটি বাড়ির মাঝে ফাঁকা জায়গায় সারা বছরই মানুষ গৃহস্থালির বর্জ্য ফেলে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি ওই রোডে দেখা যায়, স্থানীয় বিভিন্ন বাসাবাড়ির পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁর বর্জ্যও ওই সড়কের ওপর স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। অথচ ১০ ফুটের মতো প্রশস্ত ওই সড়কে ঠিকমতো রিকশাও চলাচল করতে পারে না।
একইভাবে বাদামতলী ফলের আড়ত তথা বেড়িবাঁধ সড়ক, সোয়ারীঘাট, শ্যামবাজারের সড়কে বর্জ্য স্তূপ করে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এর মধ্যে বাদামতলী ও শ্যামবাজারের বর্জ্যের বড় একটি অংশ গড়িয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে গিয়ে পড়ছে। এছাড়া বাহাদুর শাহ পার্কের উত্তর পাশেও বর্জ্য ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

স্তূপ করে রাখা বর্জ্য মাড়িয়ে চলতে হয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের/ ছবি- জাগো নিউজ
বাদামতলীর বাসিন্দা কামরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশনের গাফিলতি রয়েছে। এ সুযোগে যে যেভাবে পারছে, সড়কের ওপর বর্জ্য ফেলছে। এতে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। দ্রুত সময়ে এই অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার জাগো নিউজকে বলেন, দক্ষিণ সিটির সড়ক-ফুটপাতে বর্জ্য স্তূপ হয়ে থাকার সুযোগ নেই। তবে কাঁচাবাজারগুলোতে যে বর্জ্য উৎপাদ হয়, তা যত্রতত্র ফেলছেন ব্যবসায়ীরা। তারা সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করছেন না। অথচ সিটি করপোরেশন নির্ধারিত জায়গায় বর্জ্য রাখলে বাজারের পরিবেশন নোংরা হতো না।
আরও পড়ুন
বর্জ্যের বোঝা বইছে পুরানপাড়ার মানুষ
তিনি বলেন, এ নগর পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। তাই নাগরিকদের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণসহ নানান কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ডিএসসিসি। তারপরও কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকলে সিটি করপোরেশনের হটলাইনে জানাতে অনুরোধ করেন তিনি।
দীর্ঘ সময় সড়কে পড়ে থাকে কারওয়ান বাজারের বর্জ্য
৫৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর মধ্যে রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সবজি ও মাছের বর্জ্য তৈরি হয়। এসব বর্জ্যের একটি অংশ প্রায়ই প্রধান সড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা হয়। বর্জ্যবাহী যানবাহন এসে সেগুলো অপসারণ না করা পর্যন্ত সড়কের একাংশ কার্যত দখল হয়ে থাকে। ফলে অফিসগামী মানুষকে দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়।
কাঁচাবাজারে সারাদিনই বর্জ্য উৎপাদ হয়। তারপর ব্যবসায়ীদের অনেকেই তা সড়কে ফেলেন। এটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তারপরও সংশ্লিষ্টদের বলবো, যাতে তারা যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলেন এবং সিটি করপোরেশনের লোকজন যাতে নির্ধারিত সময়ে অপসারণ করে সে নির্দেশনা দেওয়া হবে।— ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল কাদের জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন সকালে বাজারের বর্জ্য রাস্তার পাশে জমে থাকে। ময়লার দুর্গন্ধের মধ্যে ব্যবসা করতে হয়। বাজার করতে গিয়ে ক্রেতাদের জুতা-কাপড়ও নোংরা হয়ে যায়।
তিনি বলেন, কারওয়ান বাজারে বর্জ্য ফেলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। ফলে ব্যবসায়ীদের অনেকেই যত্রতত্র বর্জ্য ফেলেন। এতে এই বর্ষায় বাজারের পরিবেশ এতই নোংরা হয়েছে, খুচরা ক্রেতা কমে গেছে।
আরও পড়ুন
বর্জ্যের বিষে ধ্বংসের মুখে রাজবাঁধের কৃষি-মৎস্যসম্পদ
মোহাম্মদপুর টাউন হল ও কৃষি মার্কেট এলাকায় ফুটপাতের বড় অংশজুড়ে বাজারের ময়লা ফেলে রাখা হয়। এতে পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে সড়কে নেমে চলাচল করেন। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
মিরপুর-১ ও মিরপুর-২ এলাকায়, বিশেষ করে কাঁচাবাজারসংলগ্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে নিয়মিত বর্জ্য জমে থাকতে দেখা যায়। একইভাবে রায়েরবাজার কাঁচাবাজারের সামনেও দীর্ঘ সময় ধরে ময়লার স্তূপ পড়ে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় দুর্গন্ধে বসবাসই কঠিন হয়ে পড়ে।

এসটিএসের পাশেও সড়কে রাখা হয়েছে বর্জ্য/ ছবি- জাগো নিউজ
মহাখালীর কড়াইল বস্তির পশ্চিম পাশের টিঅ্যান্ডটি মাঠসংলগ্ন সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকায় প্রতিদিন স্তূপ করে রাখা হয় বর্জ্য। পরে ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানে সেগুলো অপসারণ করা হয়। এ সময় বর্জ্যবাহী যানবাহনের কারণে সড়কে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। অনেক সময় সিটি করপোরেশনের গাড়ি থেকে ময়লা পানি সড়কে পড়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
মহাখালীর কড়াইল বস্তির বাসিন্দা রেজাউল ইসলাম বলেন, এসটিএসের সামনে বর্জ্যের গাড়ি সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। রাস্তা সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই যানজট লাগে। গাড়ি থেকে ময়লা পানি পড়ে পুরো এলাকা দুর্গন্ধে ভরে যায়। এছাড়া ফুটপাতে ময়লা থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তায় হাঁটতে হয়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর।
আরও পড়ুন
ডিএসসিসি প্রশাসক / বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ-পদক্ষেপ জানাবে ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপ
জানতে চাইলে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কোথায় কোথায় সমস্যা রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কারওয়ান বাজারে বর্জ্য সড়কে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফুর রহমান বলেন, কাঁচাবাজারে সারাদিনই বর্জ্য উৎপাদ হয়। তারপর ব্যবসায়ীদের অনেকেই তা সড়কে ফেলেন। এটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। সংশ্লিষ্টদের বলবো, যাতে তারা যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলেন এবং সিটি করপোরেশনের লোকজন নির্ধারিত সময়ে অপসারণ করে সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এমএমএ/কেএসআর/ এমএফএ








