বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির কাগজিখোলা-খুঁটাখালী ছড়ায় সেতু না থাকায় কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা কাঁধে তুলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পারাপার করেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিতে একজন গর্ভবতী নারী ছিলেন বলে দাবি করা হয়। তবে তথ্যটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
বুধবার (৮ জুলাই) বাইশারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাগজিখোলা-খুঁটাখালী ছড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম কোম্পানী বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তে খুঁটাখালী খাল অবস্থিত। সেখানে একটি সেতুর অভাব দীর্ঘদিনের। তাই স্থানীয় লোকজন কাঁধে করে সিএনজিটি পারাপার করেছেন।
তিনি বলেন, তবে সিএনজিতে কোনো গর্ভবতী নারী ছিলেন না। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে কাগজিখোলা-খুঁটাখালী ছড়ায় একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটে। স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, টানা বৃষ্টিতে ছড়ার পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে বাধ্য হয়ে কয়েকজন ব্যক্তি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঁধে তুলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছড়া পার করেন। বর্ষা মৌসুম এলেই এ ছড়ায় একই ধরনের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত একটি টেকসই সেতু নির্মাণ করে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এনামুল হাসান বলেন, আমি ভিডিওটি দেখেছি এবং এর সত্যতা যাচাই করছি। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমানার সঙ্গে কক্সবাজার জেলার ঈদগড় ও রামু উপজেলার সংযোগ রয়েছে। গতকাল ওই এলাকাগুলোতেও বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। তাই ভিডিওটি ঠিক কোনো উপজেলার, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নয়ন চক্রবর্তী/কেএইচকে/জেআইএম








