মিয়ানমার সীমান্তে উত্তাপের পরিপ্রেক্ষিতে বিজিবি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সীমান্তে বাড়তি সদস্য মোতায়েন, টহল বৃদ্ধি এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি শুরু হয়েছে। এদিকে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় থেয় থেয় মার্মা নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে ১১ বিজিবি’র নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন। সীমান্ত এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি আরাকান আর্মির ছয় মাসের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাচাই-বাছাই করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বিশ্লেষকদের মতে, রাখাইনে সংঘাত নতুন মাত্রা পেলে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব বাংলাদেশ সীমান্তে পড়তে পারে। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ, নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং সীমান্তবর্তী জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আবারও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি আপাতত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্বাভাবিক থাকলেও ওপারে সংঘাত কতটা বিস্তৃত হয়, সেটিই এখন সীমান্তবাসী ও প্রশাসনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল কবির বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরের সংঘর্ষ তাদের নিজস্ব বিষয়। বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত নিরাপদ রাখা এবং যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে টহল ও সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।








