২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি নানা অদ্ভুত ঘটনাও আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। কখনো ব্রাজিলের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও নেইমারকে ভিনগ্রহবাসীরা অপহরণ করবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী। আবার কখনো ঘানার এক ‘জাদুকর’ হ্যারি কেইনের ওপর অভিশাপ দিয়েছেন-এমন সব দাবি ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশ্বকাপ ঘিরে। আরও সব আজব গল্প তো আছেই।
ঘানার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ম্যাচের আগে দেশটির এক কথিত জাদুকর দাবি করেছিলেন, তিনি ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ওপর এমন অভিশাপ দিয়েছেন, যাতে তিনি গোল করতে না পারেন। সেই ম্যাচে কেইন একাধিক সুযোগ পেয়েও গোলের দেখা পাননি। এমনকি, একবার প্রায় ফাঁকা পোস্ট পেয়েও বল পাঠিয়েছেন ক্রসবারের ওপর দিয়ে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। এরপর ওই জাদুকরকে নিয়ে আরও বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বিশ্বাসও করতে শুরু করেছেন। এরপরই আলোচনায় আসে পেরুর একদম শামান। দক্ষিণ আমেরিকায় দেশটিতে শামানদের ভবিষ্যদ্বাণী ও আধ্যাত্মিক আচার-অনুষ্ঠান বেশ জনপ্রিয়। বছরের শুরুতে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক ঘটনা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করে আলোচনায় আসেন। এবার তারা টেলিভিশনের লাইভ অনুষ্ঠানে হ্যারি কেইনের ওপর থেকে কথিত ‘অভিশাপ’ দূর করার এক বিশেষ আচার সম্পন্ন করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কেইনের একটি কার্ডবোর্ড প্রতিকৃতি সামনে রেখে শামানরা বিভিন্ন ধর্মীয় ও লোকজ আচার পালন করছেন। তাদের একজন দাবি করেন, ‘কেইনের ওপর কালো জাদুর প্রভাব রয়েছে। আমরা সেই নেতিবাচক শক্তি দূর করার চেষ্টা করছি, যাতে সে স্বাধীনভাবে খেলতে পারে।’ অবশ্য এসব কর্মকাণ্ডে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবু ঘটনাক্রম অনেকের কৌতূহল বাড়িয়েছে। কারণ, শামানদের ওই আচার পালনের পরই পানামার বিপক্ষে ম্যাচে গোলের দেখা পান কেইন। ম্যাচে প্রথমে জুড বেলিংহামের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগান কেইন। বেলিংহামের গোলের মাত্র পাঁচ মিনিট পর কেইন নিজের নাম লেখান স্কোরশিটে। তার সেই গোলেই ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।








