চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ উড়োজাহাজে চড়ে তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন, সেটিতে আগের মডেলের মতো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেই। উড়োজাহাজটি কীভাবে নতুন করে প্রস্তুত করা হয়েছে, সে বিষয়ে অবহিত একাধিক কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, এ বিমানে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রপ্রতিরোধী ক্ষমতা যুক্ত করা হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, কাতার থেকে উপহার হিসাবে পাওয়া বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে এ ক্ষমতাগুলো না থাকায় এটি নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করা ঝুঁকিপূর্ণ। এ ঝুঁকির বিষয় বুধবার আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিসের অনুরোধে ট্রাম্প হঠাৎ করেই নতুন উড়োজাহাজটি রেখে পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে তুরস্ক ছাড়ার আকস্মিক সিদ্ধান্ত নেন।
এ ঘটনার পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি দাবির ওপর সবার নজর পড়েছে। সরকারি উড়োজাহাজ হিসাবে ব্যবহৃত আগের বিমানবহরটি বেশ পুরোনো হয়ে গেছে অভিযোগ তুলে কাতার থেকে পাওয়া ৭৪৭ বিমানটিকে দ্রুত রাষ্ট্রীয় ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য তিনি অনড় ছিলেন। গত এক বছর ধরে মার্কিন বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কাতারের দেওয়া এ উড়োজাহাজের সংস্কারকাজ চলেছে। এটিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট করার জন্য এখন ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে দাবি তুলেছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।
উপহার হিসাবে পাওয়া নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিদেশ সফরে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ উড়োজাহাজের নিরাপত্তা শুধু প্রেসিডেন্টের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং তার সঙ্গে থাকা হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তা, সিক্রেট সার্ভিসের সদস্য, সাংবাদিক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্যও সমান জরুরি।








