ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী সোমবার(২৯ জুন) এবং মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতভর রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের আজভস্কে এলাকার একটি সড়ক সেতু এবং ক্রিমিয়ার ইচকি এলাকার একটি রেলসেতুসহ রুশ বাহিনীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এমন দাবি করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা ইউক্রেনিফর্ম।

ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেনারেল স্টাফ জানায়, এসব স্থাপনা রুশ বাহিনীর সদস্য, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ও রসদ পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। হামলার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনো চলছে।

রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে পরিচালিত ৪০ দিনের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। এতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থার আলফা স্পেশাল অপারেশনস সেন্টার, সশস্ত্র বাহিনীর আনম্যানড সিস্টেমস ফোর্সেস, ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর অন্যান্য ইউনিট অংশ নেয়।

এছাড়া রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলের ভেসেলা লোপান, দোনেৎস্ক অঞ্চলের কোমার এবং জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের মিরনে, লুহোভে ও স্কেলকি এলাকায় অবস্থিত রুশ ড্রোনের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও হামলা চালানোর দাবি করেছে ইউক্রেন। দোনেৎস্ক অঞ্চলের স্টারোমলিনিভকা এলাকার একটি রুশ কমান্ড ও পর্যবেক্ষণ পোস্টেও আঘাত হানা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এদিকে, ২৮ জুন রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের স্লাভিয়ানস্ক-অন-কুবানে অবস্থিত স্লাভিয়ানস্ক তেল শোধনাগারে হামলা চালায় ইউক্রেন। প্রাথমিক মূল্যায়নে ইউক্রেন দাবি করেছে, মোট ৩৫ হাজার ঘনমিটার ধারণক্ষমতার চারটি জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া আরও ৩০ হাজার ঘনমিটার ধারণক্ষমতার নয়টি ট্যাংক এবং একটি তেল পরিশোধন ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কেএম