কুমিল্লার সদর দক্ষিণে শিশু ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে মফিজুল ইসলাম মফু (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. ইয়াছিন আরাফাত এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আবদুল মোতালেব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাজরিন সুলতানা ঝুমুর (৯) নামের ওই শিশুকে অপহরণ করা হয়। পরে সদর দক্ষিণ উপজেলার খেয়াশ ঠাকুরবাড়ি পুকুরের পশ্চিম পাড়ে একটি ধানখেতে নিয়ে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে এ ঘটনায় নিহত শিশুটির মা রাজিয়া আক্তার বাদি হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তের একপর্যায়ে ২০২৪ সালের ১ মে র্যাব অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর থেকে মফিজুল ইসলাম মফুকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ মামলায় মোট ১৪ জন সাক্ষী গ্রহণ করা হয়। শুনানি ও দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ বিচার-বিশ্লেষণ শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মফিজুল ইসলাম মফুকে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল হক বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
জাহিদ পাটোয়ারী/কেএইচকে








