কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত থেকে পানি দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে জেলার প্রধান সব কটি নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার, দুধকুমার ৬৫ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্র নদ ৯২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় কৃষি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। বন্যায় নিমজ্জিত ৪৯৯ হেক্টর ফসলি জমির মধ্যে পাট ও আমন বীজতলা রক্ষা পেয়েছে। তবে নিচু এলাকার পটল, মরিচ, চিনাবাদামসহ বিভিন্ন মৌসুমি শাকসবজির খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এদিকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নতুন দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে নদী ভাঙন। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমার ও ধরলা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ও পাইকেরছড়া ইউনিয়ন এবং চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন দ্বীপচরে ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। এতে ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।/
রাজনীতি
কুড়িগ্রামে কমছে বন্যার পানি, বাড়ছে নদী ভাঙন

শেয়ার করুন







