ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু উত্তর থানা এলাকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথ দিয়ে প্রতিদিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। অথচ থানা প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও এর সামনে বা আশপাশে গড়ে ওঠেনি ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা। নেই কোনো ফুটওভারব্রিজ, গণশৌচাগার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা কিংবা নামাজের জন্য মসজিদ। এতে প্রতিদিন যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।পদ্মা সেতু চালুর পর মাওয়া প্রান্তে গাড়ির চাপ বহুগুণ বেড়েছে। দূরপাল্লার বাসগুলো থানার সামনে যাত্রী ওঠানামা করায় শত শত মানুষকে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত এক্সপ্রেসওয়ে পার হতে হয়। কোনো ফুটওভারব্রিজ না থাকায় দ্রুতগতির যানবাহনের মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন যাত্রীরা। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকাবাসীর অভিযোগ, নারী, শিশু ও প্রবীণ যাত্রীদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই আতঙ্কে থাকেন। এ ছাড়া দীর্ঘ পথের যাত্রীদের জন্য এখানে কোনো গণশৌচাগারের ব্যবস্থা নেই, যা বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। সুপেয় পানির অভাবেও তৃষ্ণা মেটাতে হিমশিম খান যাত্রীরা।এদিকে মাওয়া প্রান্তে আসা যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের নামাজ আদায়ের জন্য আশপাশে কোনো মসজিদ নেই। ফলে তাদের অনেক দূরে গিয়ে নামাজ পড়তে হয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এখানে দ্রুত একটি ফুটওভারব্রিজ, আধুনিক গণশৌচাগার ও একটি মসজিদ নির্মাণ করা জরুরি।২০২২ সালে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাওয়া প্রান্তে থানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে মৌলিক অবকাঠামো না থাকায় যাত্রীসেবা ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।
রাজনীতি
লৌহজংয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে হাজারো মানুষ

শেয়ার করুন







