বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার কাছে আটকে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছিল ইংল্যান্ড। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন দুই তারকা জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইন। দ্বিতীয়ার্ধে দুজনের দুই গোলে পানামাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। গ্রুপসেরা হিসাবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে ইংলিশরা। শনিবার রাতে নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পাওয়া এই জয়ে গ্রুপ ‘এল’ থেকে সর্বোচ্চ সাত পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ক্রোয়েশিয়ার পয়েন্ট ছয়।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ইংল্যান্ড। পানামার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় বেশকিছু সময় হতাশ হতে হয় ইংলিশদের। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬২ মিনিটে বুকায়ো সাকার কর্নার থেকে জুড বেলিংহাম গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। বিশ্বকাপে এটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডারের দ্বিতীয় গোল। এরপর ৭৪ মিনিটে বেলিংহামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। সেই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েন তিনি। বিশ্বকাপে কেইনের গোলসংখ্যা এখন ১১। তাতে কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে তিনি। চলতি আসরে তিন গোল করেছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার। ম্যাচ শেষে কেইনকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল। তিনি বলেন, ‘হ্যারি অসাধারণ একজন সতীর্থ। দলের সবাই তাকে ভালোবাসে ও সম্মান করে। বিশ্বকাপের মঞ্চে এই রেকর্ড গড়তে পারা তার জন্য দারুণ ব্যাপার। সে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্দান্ত অবস্থায় আছে এবং এখনো গোলের জন্য ক্ষুধার্ত।’
বেলিংহামকে নিয়েও প্রশংসা করেন টুখেল। তিনি বলেন, ‘সে এখন দারুণ ছন্দে আছে। খেলার আনন্দটা আবার উপভোগ করছে। নিজেকে মুক্ত মনে করছে এবং আগের মতো তীব্রতা নিয়ে খেলতে পারছে। সে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের এড়ানোর সুযোগ পেয়েছে ইংল্যান্ড। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো।








