নড়াইলের সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের মারকাযুল কোরআন মাদ্রাসার ছাত্র সৈয়দ সোলাইমান ইসলাম (১২) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। নিহত সোলাইমান রামচন্দ্র গ্রামের সৈয়দ ইকরামুল ইসলামের  ছেলে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চিকিৎসার জন্য যশোর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মাদ্রাসায় সোলাইমানকে বেদড়ক মারপিট করা হয়। ভোর রাতে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। সকালে পরিবারের লোকজন সোলাইমানকে নড়াইল সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে যশোর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্য হয়। 

এ ঘটনায় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাদ্রাসার শিক্ষক ইউসুফ হায়দার ও আসিফুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মাদ্রাসা থেকে আটক করেছে।   

নিহত সোলাইমানের বাবা সৈয়দ ইকরামুল বলেন, মাদ্রাসা থেকে সকালে জানানো হয় সোলাইমান অসুস্থ। খবর পেয়ে তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে অসুস্থ ছেলেকে নড়াইল  হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। 

তিনি বলেন, ‘‘আমার ছেলেকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।’’

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নাজমুস সায়াদাৎ আল মামুন বলেন, মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক সোলাইমানকে নির্যাতন করেননি। ডাক্তারি পরীক্ষায় নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেলে এবং নির্যাতনের সঙ্গে মাদ্রাসার কেউ জড়িত থাকলে আইনানুযায়ী যে কোনো শাস্তি মেনে নেবেন।   

নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসকের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার দুইজন শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।