যমুনা নদীর ভয়াল ভাঙন এসে থমকে দাঁড়িয়েছে দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ঠিক কয়েক হাত সামনে। চারতলা ভবনের সামনের মাটি ধসে পড়েছে, বিলীন হয়েছে সীমানা প্রাচীরের একটি অংশ। এখন ভবন থেকে নদীর দূরত্ব মাত্র হাতখানেক। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ভাঙনের বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে যে কোনো মুহূর্তে পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি যমুনার গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। এরকম পরিস্থিতিতে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিয়ান নূরে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করায় প্রশাসনের নির্দেশে মাদ্রাসার চেয়ার-টেবিল, আলমারি, শিক্ষাসামগ্রীসহ মূল্যবান আসবাবপত্র দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরেজমিন দেখা যায়, যমুনার তীব্র স্রোতে প্রতিনিয়ত নদীতীর ধসে পড়ছে। ভবনের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় পুরো স্থাপনাটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। শুধু এই মাদ্রাসাই নয়, যমুনার ভয়াবহ ভাঙনে দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া, বাচামারা, জিয়নপুর ও চরকাটারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে বাঘুটিয়া ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়, বাঘুটিয়া পুরাতন বাজার, অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি। ইতোমধ্যে নদীভাঙনের শিকার কয়েকশ পরিবার নৌকায় করে ঘরবাড়ির মালামাল সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে।








