হাইকোর্টের রায় হাতে নিয়েও বদলগাছীর ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন ও প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন। এ ঘটনায় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ অমান্য, ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। মঙ্গলবার বদলগাছী উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ আমানের নেতৃত্বে তাকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তিনি জানান, বরখাস্তাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাকে স্বপদে পুনর্বহাল এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেন। পরে প্রতিপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও আপিল খারিজ করে হাইকোর্ট আগের রায় বহাল রাখেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ আমান। তিনি বলেন, ‘৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়। বর্তমান পরিচালনা কমিটি তার কাছে মাদ্রাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়েছিল। পরে আদালতে মামলা হলে আব্দুল করিমসহ চারজন কারাগারে যান। সাবেক অধ্যক্ষ মাদ্রাসায় এলে আমরা তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলাম।’
অভিযুক্ত কমিটির সদস্য আব্দুল করিমের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমার কাছে এখনো কেউ কোনো কাগজপত্র নিয়ে আসেননি। প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাওয়া গেলে যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’








