ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন শেখ নিহত হওয়ার ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা মিলন শেখ বাদী হয়ে সজীব মাতুব্বরকে প্রধান আসামি করে ভাঙ্গা থানায় বুধবার রাতে মামলাটি করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভাঙ্গা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে টহল জোরদার করা হয়েছে। নিহত সুমন শেখ ভাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার রাত ৯টার দিকে ভাঙ্গা ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজা শেষে সুমন হত্যার বিচার দাবিতে স্থানীয়রা প্রায় আধা ঘণ্টা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
এদিকে মামলার পর গ্রেফতার এড়াতে হাসামদিয়া ও আতাদি গ্রামের অনেক পুরুষ বাড়িঘর ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। নিহতের মা সামেলা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, বিশেষ করে সজীব মাতুব্বরসহ জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এক্সপ্রেসওয়েতে পাঁচ গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন শেখ নিহত হন। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য, সাংবাদিকসহ ২০ জন আহত হন।








