অবশেষে অপেক্ষা শেষ হলো, মাঠে নামলেন লিওনেল মেসি। আগেই নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় প্রথম দুই ম্যাচের একাদশ থেকে ৯ পরিবর্তন নিয়ে জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। একাদশে ছিলেন না লিওনেল মেসিও। তবে ম্যাচের আগে কোচ লিওনেল স্কালোনি ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিল, দ্বিতীয়ার্ধে নামতে পারেন মেসি। সেটাই হলো, ৬০তম মাঠে নেমেছেন আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ গোলদাতা।

লাউতারো মার্টিনেজের বদলি হিসেবে তাকে মাঠে নামান স্কালোনি। একই সঙ্গে লে সেলসোর বদলি হিসেবে নেমেছেন থিয়াগো আলমাদা। আর নিকো পেজের জায়গায় নেমেছেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।

এর আগে মেসিকে ছাড়া খেলতে নেমে প্রথমার্ধে ২ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১৯তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জে ফাউলের শিকার হন লো সেলসো। এতে বক্সের একেবারে প্রান্ত থেকে আর্জেন্টিনার পক্ষে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর লে সেলসোর নেওয়া ফ্রি-কিকটি ছিল চোখ জুড়ানো। জর্ডানের গোলরক্ষক কাছের পোস্ট রক্ষায় ঝুঁকি নিলেও লো সেলসো বল পাঠান বিপরীত কোণের ওপরের জালে। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না।

১১তম মিনিটের ব্যবধানে হেডের সময় আরভারেজ ফাউলের শিকার হওয়ায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। যদিও শুরুতে রেফারি পেনাল্টি দেননি, পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান তিনি। নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন লাউতারো মার্টিনেজ। মেসির অভিষেকের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচে পেনাল্টিতে গোল করলেন অন্য কোন আর্জেন্টাইন ফুটবলার। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে সর্বশেষ মেসিকে ছাড়া কোন পেনাল্টি পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরিয়েল ওর্তেগা সুইডেনের বিপক্ষে পাওয়া সেই পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ হন।

এসকেডি/জেআইএম