গোলটা ভালোই চেনেন। দু-একটা সুযোগ পেলেই কেল্লা ফতে। আর্লিং হলান্ডের নাম ফুটবল বুভুক্ষুদের ঠোঁটস্থ। গোল করা তার নেশা এবং পেশা-দুই-ই। বিশ্বকাপে তার ওপর সওয়ার হয়ে শেষ আটে পৌঁছে গেছে নরওয়ে। এ তো গেল মাঠের কথা। মাঠের বাইরে কেমন এই নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার? একেবারে ঘরকুনো। শুনলে অবাক হবেন, বাড়িতে হলান্ড নিজে রাতের খাবার তৈরি করেন। দীর্ঘদিনের বান্ধবী ইসাবেল জোহানসেনের সঙ্গে রোমান্টিক সন্ধ্যা কাটাতে ভালো লাগে ছয় ফুট উচ্চতার হলান্ডের। কিন্তু মুখ ফুটে সেকথা প্রকাশ্যে বলতে চান না হলান্ড। যদি ইসাবেল বিব্রত হন। তবে ফুটবল খেলাটা যে তার বান্ধবী পছন্দ করেন, সেটা জানাতে ভুল করেননি তিনি। হলান্ডের মতো ইসাবেলও ফুটবল খেলেছেন। এখন আর খেলেন না। ফুটবলকে পেশা হিসাবে নেননি। এখন ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী প্রায় সাড়ে চার লাখ। এই বিশ্বকাপে হলান্ড যখন মাঠে গোল করছেন, গ্যালারিতে ইসাবেল নজর কাড়ছেন ফ্যাশনের জন্য। হলান্ড ও ইসাবেল দুজনই একই জায়গা থেকে এসেছেন। নরওয়ের একটি ছোট্ট শহর ব্রাইনে দুজনের জন্ম। ২০২১-এ তারা কাছাকাছি আসেন। আলাপ আগে থেকেই ছিল। প্রথমে ‘নক’ করেন কে? হলান্ডের সপাট উত্তর, ‘ইসাবেল। ও আমাকে একটি মেসেজ পাঠিয়েছিল।’ তিনি যোগ করেন, ‘নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আপনার জীবনে তখনই কোনো বান্ধবী আসবে, যখন আপনি তার আশা করবেন না। যদি সব সময় আপনি হন্যে হয়ে বান্ধবী খোঁজেন, তাহলে পাবেন না।’
২০২৪ এর ডিসেম্বরে হলান্ড-ইসাবেলের প্রথম সন্তান পৃথিবীতে আসে। ছেলের নাম তারা প্রকাশ্যে আনেননি। মাঠে তার ফুটবলশৈলী বিকশিত হওয়ার জন্য হলান্ড কৃতিত্ব দিয়েছেন নিজের পিতৃত্ব গ্রহণের, ‘সত্যি বলতে, বাবা হওয়ার পর আমি বাড়িতে ফিরলে অনেক আরাম বোধ করি। সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই। ফুটবল থেকেও। তখন আমার সামনে আমার সন্তান,’ বলেছেন হলান্ড।








