ময়মনসিংহের খুচরা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেশির ভাগ সবজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কোনো কোনো সবজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নগরীর কেওয়াটখালী ও মেছুয়া বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি লাউ ৬০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৫০, গাজর ১২০, চিচিঙ্গা ৮০, ঝিঙা ৬০, শসা ৮০, বেগুন ৮০ থেকে ৯০, পটল ৭০, মুখীকচু ৬০, টমেটো ১২০, আলু ২৫ থেকে ৩৫, ঢেঁড়শ ৬০, করলা ৯০, পেঁপে ৩০, কাকরোল ৬০, পেঁয়াজ ৩৫, রসুন ১৬০, কাঁচা মরিচ ১৭০, কুমড়া ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেছুয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা তোফায়েল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সরবরাহ অনেক কমেছে। বৃষ্টির কারণে ক্ষেতের সবজি নষ্ট হয়েছে। আড়তে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

একই বাজারের কাঁচামাল বিক্রেতা কাদের মিয়া বলেন, কয়েকটি সবজির সরবরাহ এতটাই কম যে চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। আড়ত থেকেই বাড়তি দামে পণ্য কিনে আনতে হচ্ছে। ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি ছাড়া কোনো উপায় নেই।

বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আমজাত ও নুরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, মৌসুমি আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি কম আসছে। পরিবহন ব্যয়ও কিছুটা বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে কয়েক দিনের মধ্যেই দাম কমে আসবে বলে আশা করছি।

কেওয়াটখালী বাজারে সবজি কিনতে আসা গৃহিণী প্রমা সরকার বলেন, প্রতিদিনই বাজারে এসে নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আগে যে টাকায় কয়েক ধরনের সবজি কিনতাম, এখন সেই টাকায় অর্ধেকও হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম সবজি কিনছি।

নগরীর কালিঝুলী এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, শুধু আবহাওয়াকে দায়ী করলে হবে না। বাজারে সিন্ডিকেটের কারণেও অনেক সময় অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো হয়। যেকোনো মূল্যে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। তাহলে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে।

হোসাইন সুলভ/এএইচ/জেআইএম