নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এবারই প্রথম গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচের সবকটি জিতেছে মেক্সিকো। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচে ছয় গোল করার বিপরীতে কোনো গোল হজম করেনি সহআয়োজকরা। এমন নিখুঁত শুরুতে মেক্সিকান সমর্থকদের স্বপ্নের পরিধি আকাশ ছুঁয়েছে। স্বাগতিকদের সামনে এবার নকআউটের চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল সকাল ৭টায় মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে হাভিয়ের আগুইরের দল।
দুদলের আগের ২৮ ম্যাচে মেক্সিকোর ১৭ জনের বিপরীতে ইকুয়েডরের জয় চারটি। বাকি সাত ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপে আগের একমাত্র সাক্ষাতে মেক্সিকো জিতেছিল ২-১ গোলে। সব কিছু নিজেদের অনুকূলে থাকার পরও ইকুয়েডরকে নিয়ে স্বস্তিতে নেই মেক্সিকো। সেরা আট তৃতীয় দলের একটি হিসাবে নকআউটে ওঠা ইকুয়েডরের লড়াকু মানসিকতা ও শরীরনির্ভর ফুটবল ভাবাচ্ছে স্বাগতকদের। আইভরি কোস্টের কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরুর পর পুঁচকে কুরাসাওয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায়ের পথে ছিল ইকুয়েডর। কিন্তু শেষ ম্যাচে গ্রুপসেরা জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে সবাইকে চমকে দেয় দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি। চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হারানোর পর ইকুয়েডরের জন্য মেক্সিকো-বাধা খুব কঠিন হওয়ার কথা নয়।
ইকুয়েডরের চনমনে আত্মবিশ্বাসই মেক্সিকোর জন্য চিন্তার কারণ। এর আগে একবারই বিশ্বকাপের নকআউটে খেলেছে ইকুয়েডর। ২০০৬ আসরে তাদের স্বপ্নযাত্রা থেমেছিল শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে। এবার শেষ ষোলোর টিকিট কাটতে ইকুয়েডরের তুরুপের তাস হতে পারেন ৩৬ বছর বয়সি সাবেক ওয়েস্ট হাম ফরোয়ার্ড এনার ভ্যালেন্সিয়া। ইকুয়েডরের প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে ৫০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে তার দরকার মাত্র এক গোল।








