ঠিক আছে, দল জিতেছে। কিন্তু কেপ ভার্দের মতো নবাগতদের কাছে দুই গোল হজম করাটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচে দলে একাধিক বদল করার ভাবনা স্কালোনির। কেপ ভার্দের তুলনায় মিসরের অ্যাটাকিং লাইন অনেক বেশি শক্তিশালী। আছেন মোহামেদ সালাহর মতো স্কোরার। রাইট উইং দিয়ে যিনি আক্রমণ করেন। এই জায়গাটা আটকাতেই তিনি তার লেফট ব্যাক ফাকুন্দো মেদিনাকে সরিয়ে তার জায়গায় আনতে চাইছেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে। ফাকুন্দোর সামান্য চোটও রয়েছে। লিয়ঁতে খেলা তাগলিয়াফিকোর মূল অস্ত্র তার অসম্ভব স্ট্যামিনা। ১২০ মিনিটের ম্যাচে সমানতালে খেলতে পারেন তিনি।

৩৩ বছরের এই ডিফেন্ডারের টেকনিকও খুব ভালো। আর্জেন্টিনার ফুটবলবোদ্ধারা তাকে জেনেত্তির সঙ্গে তুলনা করেন। মিসর এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় খেলছে। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে ১৬ দেশ খেলেছিল। তাতে ছিল মিসর। গ্রুপ পর্যায়ের খেলা তখন ছিল না। সেই অর্থে, ৯২ বছর পর যোগ্যতা অর্জন করে মিসর প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে খেলছে। মিসরের কোচ হোসেম হাসান বলেছেন, ‘আমরা প্রতিপক্ষ নিয়ে যতটা না ভাবি, তার থেকে অনেক বেশি ভাবি, নিজেদের খেলা নিয়ে। আর্জেন্টিনা যেমন ভালো ছন্দে আছে, আমরাও আছি। ওদের মেসি থাকলে আমাদের সালাহ আছে।’