মোহনগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে লাথি মারার ঘটনায় গর্ভপাতের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা ফেরদৌস মিয়ার (৪২) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অধীন মোহনগঞ্জ আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সানজানা হক এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের জেনারেল রেজিস্ট্রার অফিসার (জিআরও) রেজাউল করিম।ফেরদৌস মিয়া মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী আশা আক্তার (২১) একই উপজেলার সুয়াইর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ৩ জুন বাবার বাড়ি পালগাঁও গ্রামে অবস্থানকালে তার ভাইয়ের একটি কুকুর প্রতিবেশী ফেরদৌস মিয়ার ছাগলের পাশে ঘোরাফেরা করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্?বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফেরদৌস মিয়া ও তার সহযোগীরা আশার ভাই জুয়েল মিয়াকে মারধর করেন। তাকে রক্ষা করতে গেলে আশার বাবা দিলখোশ মিয়া ও মা সালেমা আক্তারও হামলার শিকার হন। অভিযোগে আরও বলা হয়, মারধরের সময় বাধা দিতে গেলে আশা আক্তারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং তার পেটে লাথি মারা হয়। পরে তার রক্তক্ষরণ শুরু হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন তার গর্ভপাত হয়।








