মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পশু জবাইয়ের প্রস্তুতি, বাসি ও খাওয়ার অযোগ্য মাংস বিক্রির অভিযোগে দুই কসাইকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ সময় জবাইয়ের জন্য প্রস্তুত রাখা একটি অসুস্থ গরু উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি খাওয়ার অযোগ্য মাংস জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়।
আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার কনক বাজার ও মালির অঙ্ক বাজারে অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ববি মিতু।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনক বাজারসংলগ্ন ইব্রাহীম মুন্সির বাড়ির পাশে অভিযান চালানো হয়। সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটি অসুস্থ গরু জবাইয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এ ছাড়া জবাই করা পশুর বর্জ্য পাশের খালে ফেলার অপরাধে ইব্রাহীম মুন্সিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে অসুস্থ গরুটি উদ্ধার করে চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, মালির অঙ্ক বাজারে মো. নাদিম মৃধার মাংসের দোকানে বাসি, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সংরক্ষণ করা ও পোকামাকড়যুক্ত খাওয়ার অযোগ্য মাংস পাওয়া যায়। এ সময় তিনি কসাইয়ের কোনো লাইসেন্সও দেখাতে পারেননি। এসব অপরাধে তাঁকেও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। দোকান থেকে জব্দ করা মাংস পরে বিনষ্ট করা হয়।
ইউএনও ফারজানা ববি মিতু বলেন, জনস্বার্থে ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ভেজাল এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কালীশংকর পাল ও উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কৃত্রিম প্রজনন) আবুল কাসেম।








