টাঙ্গাইলের নাগরপুরে তীব্র লোডশেডিংয়ে নাকাল জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের সময়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্টে পড়েছে। বিদ্যুৎ-নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নাগরপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের আওতায় ১ লাখ ১০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। গ্রাহক অনুযায়ী এই উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয় মাত্র ৯ মেগাওয়াট।

গ্রাহক মো. আয়নাল সিকদার বলেন, বিদ্যুৎ যায় না, মাঝেমধ্যে শুধু একটু আসে। উপজেলা সদরে ২৪ ঘণ্টায় ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও গ্রামের অবস্থা আরও খারাপ। এ ছাড়া ভোল্টেজ ওঠানামার কারণে বিদ্যুৎ বিলও বেশি আসছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের নির্বাচনী এলাকায় বিদ্যুৎ-ঘাটতি পূরণে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়াল লাভলু মন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার পাঠিয়েছেন। পরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ডিও লেটারটি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইডি) চেয়ারম্যানকে পাঠিয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ নাগরপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতি.) নয়ন চন্দ্র সরকার বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। সরবরাহ বাড়লে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।