নড়াইল সদরের জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের অফিসকক্ষে প্রবেশ করে ভাঙচুর, কাজে বাধাদান ও মারধরের অভিযোগে মামলা হয়েছে। রোববার রাতে থানায় মামলাটি করেছেন ওই কর্মকর্তা। মামলায় উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের যদুনাথপুর গ্রামের জিসানুর রহমানের নাম উল্লেখসহ ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত জিসান বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বলে জানা যায়। ওই কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত জিসান মাঝেমধ্যেই অফিসের গোপনীয় বিভিন্ন তথ্য চায়। গোপনীয় তথ্য না দিলে সে আমাকে ও অফিসের কর্মচারীদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। রোববার বিকালে অজ্ঞাত ৪৫ জনকে নিয়ে আমার অফিসে প্রবেশ করে জেলার সব সুবিধাভোগী সদস্যের তালিকা দিতে বলে। তখন তাকে জানাই, ইতঃপূর্বে তাকে অনেকবার তথ্য দেওয়া হয়েছে। পুনরায় কেন লাগবে? এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে জিসান আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি মারে। এরপর আমার টেবিলের ওপর রাখা সরকারি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও মনিটর আছাড় মেরে ভেঙে ফেলে। জিসানুর বলেন, গ্রামের কৃষক শ্রেণির লোকজন নিয়েই আমাদের ওঠাবসা। মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে কোনো তথ্যের জন্য গিয়েও সেটি ঠিকমতো পাওয়া যায় না।








