যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে কারবালা প্রান্তরে মহানবীর (সা.) দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইনের (রা.) আত্মত্যাগের এ দিনটি স্মরণে শুক্রবার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নফল রোজা রাখেন। এছাড়া মসজিদ এবং বাসা-বাড়িতে কুরআনখানি, নফল নামাজ আদায়, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দিনটি অতিবাহিত করেন মুসল্লিরা। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর : রাজশাহী নগরীর শিরইল কলোনি থেকে একটি শোক র্যালি বের হয়। পবিত্র আশুরা উদযাপন কমিটি এ র্যালির আয়োজন করে। এছাড়া কয়েকটি সংগঠন নগরীতে অটোরিকশা নিয়ে র্যালি, বিশ্ববাংলা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ আহলে বাইত ফাউন্ডেশনের ব্যানারে শোক মিছিল, পথসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে দুপুরের পর খাবার বিতরণ করা হয়। বরিশাল নগরীতে তাজিয়া মিছিল ও শোক র্যালি হয়েছে। নগরীর ভাটার খাল এলাকা থেকে মিছিলটি বের করে বরিশাল বিভাগীয় পাক পাঞ্জাতন কল্যাণ সংস্থা। এ আয়োজনে বিভিন্ন বয়সি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। জয়পুরহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, জয়পুরহাট সুগার মিলস্ লিমিটেড জামে মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদ এবং বাসাবাড়িতে কুরআনখানি, নফল নামাজ আদায়, মিলাদ মাহফিল এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেন মুসল্লিরা। হবিগঞ্জে জেলা সদরের বিভিন্ন মোকাম থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জেলার সবচেয়ে বড় তাজিয়া মিছিল বের করা হয় সদর উপজেলার সুলতানশী হাবিলি থেকে। এছাড়া রিচি, কামড়াপুর, আনোয়ারপুর, তেঘরিয়া, পইল, বহুলা, মাছুলিয়া, গোসাইপুর, জালালাবাদ, অনন্তপুরসহ বিভিন্ন মোকাম থেকেও বিশাল তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের রূপসা জমিদার পরিবারের উদ্যোগে দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মশিউর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম নজু, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ফারুক খান প্রমুখ। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া পশ্চিম বাজারে শনিবার সকালে বাজার কমিটির উদ্যোগে দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. খলিলুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন ডা. মো. ইউনুছ সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া খানকা শরিফ থেকে শোক মিছিল বের হয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক হয়ে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে পুনরায় খানকা শরিফে এসে শেষ হয়। অপরদিকে একই সময়ে গোয়ালন্দ কেন্দ্রীয় ইমাম বাড়া শরিফ থেকে শোক মিছিল বের হয়ে উপজেলা কোর্ট চত্বর প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।







