বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক। আগুনে সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলাকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পল্লি বিদ্যুৎ এর বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার পল্লী বিদ্যুতের ৩৩-১১ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনে বিকট শব্দের পর আগুন লাগে। মাত্র এক থেকে দুই মিনিটের আগুনেই সাবস্টেশনের ৬ নম্বর ফিডারসহ বিভিন্ন তারের সংযোগ ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়।
তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশ পরীক্ষা এবং মেরামতের কাজ শুরু করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণেই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, আমরা রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, এছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে। আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়ে গেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
নুরুল আহাদ অনিক/এমআরএম







