জামালপুরের মেলান্দহের মঞ্জু মিয়ার কাছে ৯ জুনের দুপুরটি আর কোনোদিন সাধারণ দুপুর হয়ে ফিরবে না। আট বছরের ছেলে রিফাত বাবার কাছে ২০ টাকা চেয়েছিল—ডিম কিনে খাবে বলে। টাকা নিয়ে সে খুশি হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর সেই শিশুর নিথর দেহ ফিরেছে বাড়িতে। সন্তানের লাশ কাঁধে নেওয়ার চেয়ে পৃথিবীতে ভারী আর কিছু নেই—শোকাহত বাবার এই কথার মধ্যে শুধু একটি পরিবারের কান্না নেই; আছে বাংলাদেশের গ্রামবাংলার অসংখ্য পুকুর, ডোবা, খাল, নদী ও জলাশয়ের পাশে বেড়ে ওঠা শিশুদের অনিরাপদ জীবনের নির্মম বাস্তবতা।

জামালপুরে গত মে ও জুন—মাত্র দুই মাসে—পানিতে ডুবে ২৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২০ জন শিশু। ২০২৫ সালেও জেলায় পানিতে ডুবে ৩০ জনের বেশি শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। জেলা পুলিশের অপরাধ তদন্ত শাখা ও স্থানীয় বেসরকারি সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, জেলায় পানিতে ডুবে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৫ থেকে ৮৭ শতাংশই ১ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশু। সংখ্যাগুলো নিছক পরিসংখ্যান নয়; প্রতিটি সংখ্যা একটি পরিবার, একটি অসমাপ্ত শৈশব, একটি চিরস্থায়ী শোক।

প্রশ্ন হলো—এ মৃত্যু কি অনিবার্য? উত্তরটি স্পষ্ট: না। পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু বাংলাদেশের এমন একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যার বড় অংশই প্রতিরোধযোগ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ হাজারের বেশি শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণও পানিতে ডোবা। আন্তর্জাতিক গবেষণা বলছে, নিরাপদ শিশুযত্ন, জলাশয়ের পাশে সুরক্ষা, সাঁতার ও পানিনিরাপত্তা শিক্ষা এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত উদ্ধারব্যবস্থা—এই কয়েকটি ব্যবস্থা সমন্বিতভাবে কার্যকর করা গেলে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

তাহলে এত মৃত্যু কেন?
বাংলাদেশের বাস্তবতায় পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু কোনো একক কারণে ঘটে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে শিশুর বয়স, পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, গ্রামীণ বসতির ধরন, জলাশয়ের অবস্থান, অভিভাবকের নজরদারি, সাঁতার শেখার সুযোগ এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসার সক্ষমতা।

বাংলাদেশের গ্রামগুলোতে পানি থাকবে, নদী থাকবে, পুকুর থাকবে—এটাই আমাদের ভূগোল, এটাই আমাদের জীবন। কিন্তু পানির সঙ্গে বসবাস মানেই মৃত্যুর সঙ্গে বসবাস নয়। আমরা যদি শিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করি, সাঁতারকে জীবনদক্ষতা হিসেবে স্বীকৃতি দিই, ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয় সুরক্ষিত করি, স্থানীয় উদ্ধারব্যবস্থা শক্তিশালী করি এবং তথ্যভিত্তিক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করি, তাহলে হাজার হাজার জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

জামালপুরের তথ্যটি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে। এ সময় পরিবারের বড়রা রান্না, গৃহস্থালি কাজ, কৃষিকাজ বা জীবিকার কাজে ব্যস্ত থাকেন। আর শিশুরা চলে যায় বাড়ির পাশের পুকুর, ডোবা, নালা কিংবা খালের দিকে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা তো বিপদের গভীরতা বোঝেই না। কয়েক মিনিটের অনুপস্থিতি কখনো কখনো একটি পরিবারের সারাজীবনের শোক হয়ে দাঁড়ায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে অধিকাংশ শিশুর বাড়ির কাছেই কোনো না কোনো জলাশয় রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই পুকুরের দূরত্ব ২০ মিটারের মধ্যেই। ফলে শিশুকে জলাশয়ে যেতে নিষেধ করলেই ঝুঁকি দূর হয় না। একটি শিশু যখন প্রতিদিনের খেলার জায়গার পাশে পানি দেখে বড় হয়, তখন শুধু ‘ওদিকে যেও না’ বলা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যথেষ্ট ব্যবস্থা নয়।

অথচ আমাদের সামাজিক অভ্যাসে শিশুর নিরাপত্তা অনেক সময় ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। ‘পুকুর তো বাড়ির পাশেই’, ‘বাচ্চা তো একটু বড় হয়েছে’, ‘ও তো পানিতে নামে না’—এই আত্মতুষ্টিই বিপদের অন্যতম কারণ। পানিতে ডোবার ক্ষেত্রে কয়েক মিনিটের অসাবধানতা যথেষ্ট। শিশুরা যে মুহূর্তে বিপদে পড়ে, তখন চিৎকার করারও সুযোগ অনেক সময় পায় না।

আরেকটি বড় সমস্যা হলো সাঁতার না জানা। বাংলাদেশের মতো নদী, খাল, বিল ও পুকুরসমৃদ্ধ দেশে সাঁতারকে এখনো অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় জীবনদক্ষতা হিসেবে দেখে না। অথচ পানির দেশে সাঁতার শেখা কেবল ক্রীড়া নয়; এটি আত্মরক্ষার মৌলিক শিক্ষা।

সাঁতার শেখার সুযোগও সর্বত্র নেই। প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট হয়ে যাচ্ছে, অনেক পুকুর দূষিত বা অনিরাপদ, আবার শহরে সাঁতার শেখার প্রশিক্ষণ ব্যয়বহুল। গ্রামে নিরাপদ প্রশিক্ষণকেন্দ্রের অভাব। ফলে শিশুরা পানির পাশে বড় হলেও পানির বিপদ সম্পর্কে বাস্তব দক্ষতা অর্জন করতে পারে না।

বাংলাদেশে অবশ্য কিছু কার্যকর উদ্যোগের প্রমাণ রয়েছে। সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)-এর ‘সুইমসেফ’ কর্মসূচিতে শিশুদের জীবনরক্ষাকারী সাঁতার শেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ‘আঁচল’ ধরনের কমিউনিটি-ভিত্তিক নিরাপদ শিশুযত্নকেন্দ্রের ধারণাও গুরুত্বপূর্ণ—কারণ দিনের যে সময়টিতে অভিভাবকেরা কাজে ব্যস্ত থাকেন, সেই সময় শিশুদের নিরাপদ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা যায়।

এখানে জামালপুরের একটি বিশেষ বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। জেলার অধিকাংশ উপজেলায় নিজস্ব প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল নেই। কোথাও দুর্ঘটনা ঘটলে জেলা সদর থেকে উদ্ধারকারী দল পাঠাতে হয়। নদীবেষ্টিত ও বন্যাপ্রবণ একটি জেলার জন্য এটি বড় দুর্বলতা। দুর্ঘটনার পর প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দূরবর্তী গ্রাম বা চরাঞ্চলে উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে যে সময় লাগে, ততক্ষণে উদ্ধার অভিযান অনেক সময় মৃতদেহ উদ্ধারে পরিণত হয়।

তবে শুধু ডুবুরি বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না। ডুবুরি প্রয়োজন দুর্ঘটনার পর; কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে দুর্ঘটনা যেন না ঘটে। প্রতিটি উপজেলায় প্রশিক্ষিত উদ্ধারদল থাকা জরুরি, কিন্তু তার চেয়েও জরুরি প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয় চিহ্নিত করা, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দ্রুত জরুরি সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

জলাশয়ের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে ভাবতে হবে। বাড়ির পাশে থাকা পুকুরের চারদিকে সবসময় ব্যয়বহুল দেয়াল নির্মাণ সম্ভব নয়। কিন্তু বাঁশের বেড়া, জাল, নিরাপদ প্রবেশপথ, সতর্কতামূলক চিহ্ন এবং শিশুদের চলাচলের পথে বাধা—এসব কম খরচের ব্যবস্থা করা যায়। স্থানীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদ, পুকুরের মালিক ও কমিউনিটিকে এ কাজে যুক্ত করা সম্ভব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে যে বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেয়, তার মধ্যে রয়েছে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা, পানির কাছে শিশুদের নজরদারি, সাঁতার ও পানিনিরাপত্তা শিক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্ধার-প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী করা। বিশ্বজুড়ে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার কমেছে—এটি প্রমাণ করে, সঠিক নীতি ও বিনিয়োগ কার্যকর হয়।

বাংলাদেশে এই বিষয়টি এখনো জাতীয় জনস্বাস্থ্য নীতির কেন্দ্রীয় আলোচনায় যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে যেমন নিয়মিত পরিসংখ্যান, প্রচার ও নীতিগত উদ্যোগ আছে, পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে তেমন সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। অথচ মৃত্যুর সংখ্যা কম নয়। আরও উদ্বেগের বিষয়, এসব মৃত্যুর অনেকগুলো সংবাদপত্রে খবরও হয় না। একটি শিশু পুকুরে ডুবে মারা যায়, পরিবার তাকে দাফন করে, কয়েক দিন পর সেই ঘটনা সামাজিক স্মৃতি থেকে মুছে যায়। কিন্তু জাতীয় পরিসংখ্যানে প্রতিটি মৃত্যু অদৃশ্য হয়ে গেলে সমস্যাটিও অদৃশ্য থেকে যায়।

প্রয়োজন একটি জাতীয় ‘ড্রাউনিং প্রিভেনশন’ কর্মপরিকল্পনা—যেখানে উপজেলা ও ইউনিয়নভিত্তিক ঝুঁকির মানচিত্র তৈরি হবে। কোন এলাকায় কতগুলো পুকুর, খাল বা নদী আছে, কোথায় শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা বেশি, কোন বয়সের শিশুরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে—এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু মৃত্যুর পর তথ্য সংগ্রহ নয়; মৃত্যুর আগেই ঝুঁকি শনাক্ত করতে হবে।

সাঁতার শেখানোর কর্মসূচিকে প্রকল্পনির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কর্মসূচিতে রূপ দিতে হবে। সব শিশুকে একই বয়সে একই পদ্ধতিতে সাঁতার শেখানো সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়ে কমিউনিটি পুকুর, প্রশিক্ষিত প্রশিক্ষক ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কার্যকর প্রশিক্ষণ চালু করা যায়। বিদ্যালয়, স্থানীয় সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর অংশীদারত্বে এ কাজ করা সম্ভব।

পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বুঝতে হবে—শিশুর ওপর নজরদারি মানে একই ঘরে থাকা নয়; শিশুটি কোথায় আছে, কী করছে, সে সম্পর্কে সচেতন থাকা। বিশেষ করে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়কে ‘ঝুঁকিপূর্ণ সময়’ হিসেবে চিহ্নিত করে পরিবার ও কমিউনিটিভিত্তিক শিশুযত্নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

রিফাতের বাবা বলেছেন, পুকুরের চারদিকে নিরাপত্তাবেষ্টনী থাকলে হয়তো তাঁর সন্তান বেঁচে যেত। আমরা জানি না, সত্যিই সে দিন একটি বেড়া থাকলে কী ঘটত। কিন্তু তাঁর প্রশ্নটি উপেক্ষা করার মতো নয়। একটি শিশুর জীবন রক্ষায় কখনো কখনো একটি বাঁশের বেড়া, একটি সতর্ক দৃষ্টি, একটি সাঁতার প্রশিক্ষণ বা কয়েক মিনিটের দ্রুত উদ্ধারই যথেষ্ট হতে পারে।

আমরা প্রায়ই বলি, ‘দুর্ঘটনা ঘটেই।’ কিন্তু পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে এই বাক্যটি অনেক সময় সত্য নয়। কারণ জলাশয় ছিল, শিশুটি ছিল, বিপদ ছিল—কিন্তু নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল না। শিশুকে সাঁতার শেখানো হয়নি। বাড়ির পাশে পুকুরটি অরক্ষিত ছিল। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। অর্থাৎ অনেক মৃত্যু প্রকৃতির অনিবার্যতা নয়; এগুলো আমাদের অবহেলা, পরিকল্পনার ঘাটতি ও সমন্বয়হীনতার ফল।

একটি শিশুর মৃত্যু কখনো ‘পরিসংখ্যান’ হতে পারে না। রিফাতের মতো প্রতিটি শিশুর একটি নাম আছে, একটি পরিবার আছে, একটি ভবিষ্যৎ আছে। তার জন্য অপেক্ষা করে থাকা মা আছে, টাকা চেয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে থাকা বাবা আছে, ভাইবোন আছে। পানিতে ডুবে মৃত্যু তাই কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়—এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারের সম্মিলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার পরীক্ষাও।

বাংলাদেশের গ্রামগুলোতে পানি থাকবে, নদী থাকবে, পুকুর থাকবে—এটাই আমাদের ভূগোল, এটাই আমাদের জীবন। কিন্তু পানির সঙ্গে বসবাস মানেই মৃত্যুর সঙ্গে বসবাস নয়। আমরা যদি শিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করি, সাঁতারকে জীবনদক্ষতা হিসেবে স্বীকৃতি দিই, ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয় সুরক্ষিত করি, স্থানীয় উদ্ধারব্যবস্থা শক্তিশালী করি এবং তথ্যভিত্তিক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করি, তাহলে হাজার হাজার জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

প্রশ্নটি তাই ‘পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধ করা কি অসম্ভব?’—এটি নয়। প্রকৃত প্রশ্ন হলো, এত জীবন রক্ষার উপায় জানা থাকার পরও আমরা আর কতদিন অপেক্ষা করব? কোনো বাবা যেন আর বলতে না হয়—‘ছেলের লাশ কাঁধে নেওয়ার চেয়ে ভারী কিছু পৃথিবীতে নেই।’ সেই দিনটি নিশ্চিত করাই এখন আমাদের দায়িত্ব।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট, ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।
[email protected]

এইচআর/এএসএম