২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে বিতর্কিত রেফারিংয়ের অভিযোগ তুলে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এইচএনএস)।
টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ক্রোয়েশিয়া। তবে ম্যাচের ফল নয়, বরং রেফারিং ও ভিএআর প্রযুক্তির ব্যবহারে গুরুতর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় আপত্তি ম্যাচের শেষ দিকে জাসকো ভার্দিওলের সমতাসূচক গোল বাতিল হওয়া নিয়ে। নরওয়ের রেফারি এসপেন এসকাস ফিফার প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে গোলটি বাতিল করেন। বলের ভেতরে থাকা সেন্সরের তথ্যানুযায়ী, অফসাইড অবস্থানে থাকা ইগর মাতানোভিচের চুলে বলের স্পর্শ লেগেছিল, যার কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।
এইচএনএসের মুখপাত্র টমিস্লাভ পাচাক জানান, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছে পাঠানো চিঠিতে তারা শুধু রেফারির সিদ্ধান্ত নয়, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।
তার ভাষায়, ‘পর্তুগালের পাওয়া পেনাল্টির ক্ষেত্রে ভিএআর প্রোটোকল সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। রেফারিকে মনিটরে ডেকে সিদ্ধান্ত বদলানোর প্রয়োজন ছিল না। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গভার্দিওলের সমতাসূচক গোলটি বাতিল করা হয়েছে এমন একটি স্পর্শের ভিত্তিতে, যা আমাদের মতে আদৌ ঘটেনি। শুধুমাত্র বলের সেন্সরের তথ্যের ওপর নির্ভর করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ফুটবলের নিয়ম ও খেলাটির চেতনার পরিপন্থী।’
ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন এই ঘটনাকে ‘প্রযুক্তির অপব্যবহার’ বলে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, প্রযুক্তি ফুটবলের উন্নতির জন্য হলেও এর এমন ব্যবহার খেলাটির জন্য ইতিবাচক নয়।
চিঠিতে এইচএনএস ফিফার কাছে বিতর্কিত দুটি সিদ্ধান্তের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও চেয়েছে। যদিও তারা স্বীকার করেছে, এই অভিযোগে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের হতাশা দূর হবে না, তবুও ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে।
আরআর/আইএন








