ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তটি এসেছে নরওয়ের ফরোয়ার্ড আলেকজান্ডার সোরলথের একটি সিদ্ধান্তকে ঘিরে। ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা অবস্থায় একদম ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা আর্লিং হালান্ডকে পাস না দিয়ে নিজেই শট নেন সোরলথ। সুযোগটি নষ্ট হওয়ার পরই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। পরে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে উঠে যায় ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। এরপর পাল্টা আক্রমণে সোরলথ বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন। ডান পাশে সম্পূর্ণ ফাঁকায় ছিলেন হালান্ড, যিনি সহজেই গোল করতে পারতেন।
কিন্তু তাকে পাস না দিয়ে নিজেই শট নেন সোরলথ। ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ড সেটি ঠেকিয়ে দেন। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ওই মুহূর্তে হালান্ডকে বল বাড়িয়ে দিলে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারতো এবং ম্যাচের চিত্রই বদলে যেতে পারতো।
সুযোগ হাতছাড়া করার মূল্যও দ্রুত দিতে হয় নরওয়েকে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জুদ বেলিংহ্যাম সমতা ফেরান। এরপর অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জিতিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন তিনি।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোরলথের ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে চলতি বিশ্বকাপের ‘সবচেয়ে বড় ভুল’ বলে অভিহিত করেন। তাদের মতে, ব্যক্তিগত গৌরবের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে নরওয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে পারতো।
এদিকে পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা হালান্ড এই ম্যাচে গোলের দেখা পাননি। অতিরিক্ত সময়ে শারীরিক ক্লান্তি ও চোটের কারণে তাকে তুলে নেন কোচ স্টলে সোলবাকেন। কোচ জানান, হালান্ডের পায়ে আঘাত ছিল এবং তিনি আর খেলার অবস্থায় ছিলেন না।
টিটিটি/আইএইচএস/








