ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুরে বারো বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে নিলে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়।
তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এমনিতেই কিশোরী হত্যাকাণ্ড ও তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোচনা চলছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে ঘটনার পুনঃনির্মাণের সময় তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাকে থামানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালানো হয়।
এ ঘটনায় এ পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে। সর্বশেষ একজনকে আটক করেছে বারুইপুর থানার বিশেষ অভিযান দল ও রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তদন্তকারীরা জানান, মূল অপরাধের পাশাপাশি ঘটনার পর এলাকায় সহিংসতা, ভাঙচুর এবং গণপিটুনির ঘটনাও পৃথকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। কিশোরীর লাশ উদ্ধারের পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করেন। বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ হয়। পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর ঘটে। এ সময় গণপিটুনিতে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামে এক যুবক মারা যান। তার পরিবারের দাবি, ওই যুবকের সঙ্গে মূল অপরাধের কোনো সম্পর্ক ছিল না।





