গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শেষ-৩২ নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তাই জর্ডানের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচের আগেই নকআউটের সমীকরণ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে লিওনেল মেসিদের সামনে। আর সেই সমীকরণ বলছে, টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পথে তুলনামূলক অনুকূল ড্রই পেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা।
৪ জুলাই মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আর্জেন্টিনার নকআউট অভিযান। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে শেষ বত্রিশে উঠে ইতিহাস গড়লেও শক্তির বিচারে কেপ ভার্দের চেয়ে অনেক এগিয়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তাই প্রথম নকআউটে স্পষ্ট ফেবারিট মেসির দল।
কেপ ভার্দেকে হারাতে পারলে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে মিশর অথবা অস্ট্রেলিয়া। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে অপেক্ষা করতে পারে সুইজারল্যান্ড, গ্রুপ ‘কে’-এর চ্যাম্পিয়ন (পর্তুগাল বা কলম্বিয়া) কিংবা সেরা তৃতীয় হওয়া কোনো দল। অর্থাৎ, ফাইনালের আগে ফ্রান্স, স্পেন কিংবা জার্মানির মতো ইউরোপীয় পরাশক্তিদের এড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে স্কালোনির শিষ্যরা।
তবে ফাইনালের আগে সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটা আসতে পারে সেমিফাইনালে। ১৫ জুলাই আটলান্টায় আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল। সেলেসাওও যদি নিজেদের পথ পেরিয়ে শেষ চারে ওঠে, তাহলে বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলপ্রেমীরা উপভোগ করতে পারেন আরেকটি মহারণ—সুপার ক্লাসিকো।
ড্রয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসের মতো ইউরোপীয় জায়ান্টরা রয়েছে ব্র্যাকেটের উল্টো পাশে। ফলে এই দলগুলো নিজেদের মধ্যে লড়াই করে একজন ফাইনালে উঠবে, আর সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে ২০ জুলাই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে দেখা যেতে পারে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে।








